TRENDING NOW

Shahrasti


চাঁদপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) সকালে জেলা পরিষদ হল রুমে ২০১৫ সালে উর্ত্তীণ জেলার মেধাবী ও দরিদ্র এবং মুক্তিযোদ্ধা পোষ্য ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে  শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে।
শিক্ষাবৃত্তি চেক প্রদানপূবৃ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদের  প্রশাসক মুক্তিযোদ্ধা লেঃ কর্নেল (অবঃ ) আবু ওসমান চৌধুরী বলেছেন,জেলা পরিষদ প্রতিবছর জেলার মেধাবী ও দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান করে থাকে। মেধাবী ও দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের সকল সময় জেলা পরিষদ মূল্যায়ন করবে। বৃত্তি প্রদান জেলা পরিষদের কার্যাবলীর একটি অংশ। এর অংশ হিসেবে এবারও ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবিষৎতে বৃত্তির টাকার পরিমান আরো বৃদ্ধি করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরো বলেন, যারা ভাল ফলাফল করবে জেলা পরিষদ তাদের দিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিবে।
তিনি সকল ছাত্র-ছাত্রীদের আরো ভাল ফলাফল করার জন্য অনুরোধ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ প্রসংগে তিনি বলেন,তোমাদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। তা আবার সবাইকে জানাতেও হবে। তাই তোমাদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তির বই পাঠদান করতে হবে।
অনুষ্ঠানের আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন,জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব )  আবদুল মান্নান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি বিএম হান্নান,সাধারণ সম্পাদক সোহেল রুশদী। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন,  জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন রাসেল।
বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মেধাবী শিক্ষার্থী মুনমুন। পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন,মাওঃ মনির হোসাইন। উল্লেখ্য,২০১৫ সালে উর্ত্তীণ জেলার  এসএসসি ও এইচ এস সি সমমান ১৩৯ জন কৃতি এবং দরিদ্র ও মুক্তিযোদ্ধা পোষ্য  ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ৬ লক্ষ ১১হাজার টাকার চেক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বই প্রদান করা হয়।

শাহরাস্তিতে এবারের এসএসসি পরীক্ষার পাশের হার সন্তোষজনক হয়েছে। উপজেলা ৩২ টি উচ্চ বিদ্যালয় হতে মোট ২ হাজার ৬ শত ২৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ২ হাজার ৩ শত ৭৬ জন পাস করেছে।
এতে ২শ ৫০ জন ফেল করেছে। পাশের হার শতকরা ৮৮.৬১ ভাগ। পরীক্ষায় মোট ৬৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছে। উপজেলা দেবকরা মারগুবা ডক্টর শহীদ উল্লাহ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সকলে পাস করেছে। পাসের হার শতভাগ। সর্বাধিক সূচীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
এছাড়া চেড়িয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ জন,দক্ষিণ সূচীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ জন, রাগৈ উচ্চ বিদ্যালয়েল৭জন, শাহরাস্তি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ জন ও নিজ মেহার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার দু’বারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ¦ আবদুল মান্নান খাঁন বাচ্চু’র প্রথম স্ত্রী জাহানারা বেগম (৭০) রোববার (৮ মে) সকাল ১১টায় ঢাকা পপুলার হাসপাতালে শেষ নিঃস্বাশ ত্যাগ করেন ।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জাহানারা বেগম দীর্ঘ দিন ধরে কিডনী জনিত রোগে ভুগছিলেন । মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, ১ ছেলে ও ১ মেয়েসহ অসংখ্যা গুনগ্রাহী রেখে গেছেন ।
রোববার বাদ মাগরিব খেয়াঘাট জামে মসজিদে প্রথম জানাযা,বাদ এশা হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে দ্বিতীয় জানাযা এবং মরহুমের স্বামীর নিজ বাড়ি রান্ধুনীমুড়া গ্রামের মসজিদে ৩য় জানাযা শেষে তাকে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয় । মরহুমার জানাযায় হাজীগঞ্জের বিশিষ্টজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সাবেক এ মেয়রের প্রথম স্ত্রী জাহানারা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উওম, সাবেক সাংসদ এম এ মতিন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আ. রশিদ মজুমদার, শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বর্তমান মেয়র আ.স.ম মাহবুব-উল-আলম লিপন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইঞ্জি. মমিনুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক গাজী মো. মাঈন উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সফল আহবায়ক ড. মো. আলমগীর কবির পাটওয়ারী ও শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ আহম্মেদ খসরু ।
এ সময় তারা মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

থানার ভুয়ার কাজ করেন, এতেই তিনি অনেক কিছু। থানা-পুলিশের দাপট খাটিয়ে নানা অপরাধ কর্মকা- করেই যাচ্ছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
জানা যায়, হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার বদরপুর কবিরাজ বাড়ীর রুহুল আমিনের স্ত্রী লিলু বেগম (৩৫) দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে থানার অফিসারদের ম্যাচে ভুয়া কাজ করে আসছেন। সে সুবাদে এলাকার সাধারণ মানুষের কোন একটি ঘটনা ঘটলেই মামলা কিংবা পুলিশের বড়াই দেখিয়ে নগদ অর্থ হাতিয়ে নিতেন বলে অভিযোগ উঠে।
এসব অনিয়ম করতে গিয়ে এলাকার গন্যমান্যদের কোন তয়াক্কা করতেন না ভুয়া লিলু বেগম।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, লিলু বেগমের ৩ ছেলে ২ মেয়ে রয়েছেন। স্বামী রুহুল আমিনের সাথে তার ভালো সম্পর্ক নেই। প্রায়ই সে তার স্বামীকে ধরে মারধর করে আসছে বলে জানায় এলাকাবাসী।
লিলু বেগমের কায়দায় পড়ে প্রতারিত হয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বদরপুর এলাকার এমন কয়েকজন ভূক্তভোগী এ প্রতিবেদকের কাছে বলেন, আমরা জানি সে থানার অফিসারদের ভাত পাক করেন। যে কারণে অফিসারদের সাথে তার একটা ভালো সম্পর্ক আছে। কিন্তু আমাদের এলাকায় যখন কোনো সমস্যা হয়,তখন লিলু বেগম নিজেই খবর শুনে উভয় পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে পুলিশের সহযোগিতার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেন।
বিশেষ করে মহিলাদের ঘরোয়া কোন ঝামেলা হলে তাদেরকে গিয়ে উৎসাহ দিতেন মামলা করার জন্য। সে এলাকায় সাধারণ মানুষের সামনে জাহির করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসতেন। তার আচরণে কেউ মুখ খুললে তাদেরকে তিনি হেনেস্থা করেন।
কিছু দিন আগে লিলু বেগমের ছেলে সবুজ এলাকায় মোবাইল চুরির অপরাধে জেল খেটে এসেছে।
দিনের পর দিন এলাকায় লিলু বেগম নিজেকে অনেক কিছু বলে জাহির করে আসতেন। তার এ অত্যাচারে সাধারণ মানুষ অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। তাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা থানার অফিসার ইনচার্জ বিষয়টি খোজ নিয়ে লিলু বেগমকে যেন সতর্ক হওয়ার নির্দ্দেশ দেন।
অভিযুক্ত লিলু বেগমের সাথে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো.শাহআলমের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জানামতে লিলু বেগম ভুয়ার কাজে ব্যস্ত থাকেন। তার পরেও যদি কারও সাথে কোন রকম প্রতারণা করে থাকে তাহলে বিষয়টি আমার কাছে অভিযোগ করার আহবান জানাই।

বুধবার প্রকাশিত ২০১৬ সালে এস এস সি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরিতে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪১৫ জন।
এর মধ্যে এসএসসি’তে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৭৬, দাখিলে ২৩ ও ভোকেশনালে ১৬ জন।
ঘোষিত ফলাফলে ৫২জন জিপিএ ৫ পেয়ে উপজেলায় শীর্ষ স্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। হাজীগঞ্জ মডেল পাইলট হাই স্কুল এন্ড কলেজ থেজে ৬৬ জন জিপিএ ৫ পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
এ+’
তথ্য অনুযায়ী, হাজীগঞ্জ উপজেলার ৩২টি বিদ্যালয়ের মধ্যে পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর ১৯৭ পরীক্ষার্থীর মধ্যে সবাই কৃতকার্য হয়েছে। এতে এ+’ ৫২ জন এ ১২৮, এ-’ ১৭ জন।
হাজীগঞ্জ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ থেকে ২৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২৬৬ জন। এতে এ+’ ৬৬, এ’ ১৭০, এ-’ ২৪, বি’ ৬ জন পেয়েছেন।
হাজীগঞ্জ আমিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৮১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে সবাই। এতে এ+’ ৩২, এ’ ১৩১, এ-’ ১৭, বি’ ১ জন পেয়েছেন।
ধড্ডা পপুলার উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে শতভাগ। এতে এ+’ ১৫, এ’ ৭৩, এ-’ ০৮, সি’ ১ জন পেয়েছেন।
বলাখাল জে এন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কারিগরি কলেজে ৮৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৮১ জন। এতে এ+’ ১৫, এ’ ৪২, এ-’ ২৩, বি’ ১ জন পেয়েছেন।
পেরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে শতভাগ। এতে এ+’ ১৮, এ’ ৪১, এ-’ ২ জন পেয়েছেন।
পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে সবাই। এতে এ+’ ১৩, এ’ ৭০, এ-’ ৪, বি’ ১ জন পেয়েছেন।
জগন্নাথপুর হাজী এরশাদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১৩৮ জন। এতে এ+’ ১৮, এ’ ৯১ , এ-’ ২২, বি’ ৭ জন পেয়েছেন।
টংগীর পাড় হাটিলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১১০ জন। এতে এ+’ ১৯, এ’ ৪৩, এ-’ ৩৯, বি’ ৯ জন পেয়েছেন।
দেশগাঁও জয়নাল আবেদীন উর্চ্চ বিদ্যালয়ে ১১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১০৬ জন। এতে এ+’ ০৭, এ’ ৫৪, এ-’ ৩২, বি’ ১০ ও সি’ ৩ জন পেয়েছেন।
নাসিরকোর্ট উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১২৪ জন। এতে এ+’ ০৪, এ’ ৪০, এ-’ ৪৯, বি’ ১৯ ও সি’ ১২ জন পেয়েছেন।
পীর বাদশা মিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২২ জন। এতে এ ৪,এ-৫,বি ১০ ও সি ১৩ জন পেয়েছেন।
পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১০৮ জন। এতে এ+’ ১১,এ ৫৪,এ-৩২,সি ২ ও ডি ৯ জন পেয়েছেন।
বাকিলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৬৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১৪১ জন। এতে এ ৬৩,এ-৪৩,বি ২৪ ও সি ১১ জন পেয়েছেন।
বোরখাল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২৬ জন। এতে এ ০৫,এ-১১,বি ১০ জন পেয়েছেন।
বলাখাল চন্দ্রবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯৫ জন। এতে এ+’ ০৫,এ ৩৭,এ-৩২,বি ১৭ ও সি ০৪ জন পেয়েছেন।
বেলচোঁ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৭১ জন। এতে এ+’ ০৩,এ ৩৯,এ-২০,বি ৭ ও সি ০২ জন পেয়েছেন।
বলিয়া উর্চ্চ বিদ্যালয়ে ১১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১০৯ জন। এতে এ+’ ০৭,এ ৭৩,এ-২৮,বি ০১ জন পেয়েছেন।
বড়কূল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৩৬ জন। এতে এ+’ ০৭,এ ১৫,এ-১৪ জন পেয়েছেন।
বড়কূল রামকানাই উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৭৩২ জন। এতে এ+’ ০৪,এ ৫২,এ- ১২,বি ৫ জন পেয়েছেন।
মেনাপুর বাদশা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯৩ জন। এতে এ+’ ০৩,এ ৪০,এ-৩৯,বি ১০ও সি ০১ জন পেয়েছেন।
মালিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৭৪ জন। এতে এ+’ ০৮,এ ৩২,এ-২৯,বি ৫ জন পেয়েছেন।
মৈশাইদ পল্লী মঙ্গল এ জি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১৮ জন। এতে এ+’ ০১,এ ০৯,এ-০৮ জন পেয়েছেন।
রাজারগাও উর্চ্চ বিদ্যালয়ে ১৯৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১৫৬ জন। এতে এ+’ ০৮,এ ৪৫,এ-৩৭,বি ৪৩ ও সি ২৩ জন পেয়েছেন। রান্ধনীমুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে শতভাগ পাশ করেছে। এতে এ+’ ০৫,এ ৪৯,এ-০৩ জন পেয়েছেন।
রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৪৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২১৭ জন। এতে এ+’৯, এ ৯০, এ-৭৮, বি ৩৬ ও সি পেয়েছে ৪জন।
রামচন্দ্রপুর ভূইয়া একাডেমী ৯৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯৪ জন। এতে এ+’ ৮, এ’ ৫৫, এ-’ ২৮ ও বি’ পেয়েছে ৩জন।
শ্রীপুরউচ্চ বিদ্যালয় ৫৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৫১ জন। এতে এ ১৮, এ-’২১ ও বি ৯ ও সি পেয়েছে ৩জন।
সপ্তগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৪১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৪১ জন। এতে এ+’৭, এ ৩৩, এ-’ পেয়েছে ০১ জন।
সুহিলপুর উচ্চ বিদ্যালয় ১১০জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১০৭ জন। এতে এ+’১৫, এ ৬০, এ-’ পেয়েছে ৩২ জন।
অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৫৭ জন। এতে এ+’ ৩, এ ৩৬, এ-’ ১৭, বি পেয়েছে ১ জন।
আল কাউসার স্কুল ৪৮জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৪৮ জন। এতে এ+’ ১৩, এ পেয়েছে ৩৫ জন।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ শ্রী শ্রী রাজা লক্ষ্মী নারায়ণ জিউড় আখড়ার গত কয়েক দিনের বিদ্যমান পরিস্থিতি অবশেষে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে এসেছে।
বর্তমান কমিটির একক স্বেচ্ছাচারিতায় আগামী ১৪ মে শনিবার নতুন কার্যকরী কমিটির সভা ও অভিনব কায়দায় অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন অবশেষে চাঁদপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.আশ্রাফুজ্জামানের হস্তক্ষেপে স্থগিত করা হয়।
পরবর্তীতে হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম উভয় পক্ষের ৩ জন করে ৬ জনকে নিয়ে বিদ্যমান পরিস্থিতি সমাধানে একমত হয়েছেন।
ওই বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী ৪ মাসের মধ্যে হালনাগাদ ভোটার তালিকা সম্পূর্ণ করে জিউড় আখড়ার বিগত সময়ের আয় ব্যয়ের খসড়া অনুমোদনসহ নানা জটিলতা নিরসনে কাজ করে যাওয়া সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সমজোতার ভিত্তিতে নতুন রেজুলেশন অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার অফিসার ইনচার্জ কার্যালয়ে পুনরায় বৈঠক বসার কথা রয়েছে।
শনিবারের অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন স্থিগিত হওয়ায় আন্দোলনরত এক পক্ষের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তারা আশা করেন জিউড় আখড়ার বিদ্যমান পরিস্থিতি সমাধান করে হাজীগঞ্জ উপজেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐক্যের ধারা ফিরে আসবে বলে বিশ্বাস করেন।
এ জন্য আবারও প্রশাসন সহ সর্বস্তরের হি›দ্রু সম্প্রদায়ের নীতি নির্ধারকদের বিদ্যমান পরিস্থিতি সমাধানে সহযোগিতার জন্য জিউড় আখড়ার সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রবীন কুমার ফটিকসাহা ধন্যবাদ জানান।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম বলেন, জিউড় আখড়া দুই পক্ষের লোকদের নিয়ে ইতিমধ্যে আমাদের প্রশাসন থেকে সর্বস্তর সহযোগিতা আশ্বাসে বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টায় অব্যাহত আছি।


চাঁদপুরের কচুয়া-সাচার-গৌরীপুর সড়কটি ক্ষত বিক্ষত হয়ে এখন মরন ফাঁদে পরিনত হয়ে যানবাহন চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ ১ বছর যাবৎ রাস্তাটির এ করুন অবস্থায় চলাচলকারী হাজার হাজার জনগণ গৃহবন্ধী হয়ে পড়েছে। রোগী নিয়ে ঢাকা বা কোথাও চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাবে এমন কোন পরিবেশ রাস্তায় নেই। বরং রাস্তা দিয়ে রোগী নিয়ে রওয়ানা হলে রোগীর হাড়গোড় ভেংগে পথেই মারা যাবে। ডেলিভারী সংক্রান্ত কোন রোগী চিকিৎসার জন্য কোথাও নিবে তো দূরের কথা নেয়ার বিষয়টি কল্পনা করাই যাবেনা। তারপরও নিয়ে রওয়ানা হলে ঐ রোগীর পথেই ডেলিভারী হয়ে যাবে অথবা মারা যাবে।
রাস্তাটির এই বেহাল দশায় পরিনত হলেও সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্তৃপক্ষের কোন নজরে পড়েনি। রাস্তা দিয়ে বাস,সিএনজি মাইক্রোবাসসহ মালবাহী ট্রাক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে প্রায়ই দূর্ঘটনার শিকার হয়। গাড়ির এক্সেলসহ নানান যন্ত্রাংশ ভেংগে রাস্তার ওপর ঘন্টার পর ঘন্টা পড়ে থাকতে দেখা যায়। তারপরও মানুষ বিশেষ প্রয়োজনে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই এ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হয়।
জানাযায়, বিগত দিনে সড়কটির সংস্কার কাজে দায়িত্বরত ঠিকাদার সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে ঘষামাজা কাজের কারনে রাস্তার কাজ করার ১ সপ্তাহ পড়ে রাস্তা ভাংগা শুরু হয়। যার ফলে জনগনের ভোগান্তিও শুরু হয়। সরকারীভাবে সড়কটি সংস্কার কাজে কোটি কোটি টাকা বরাদ্ধ হলেও ঠিকাদারের ঘষামাজা কাজের জন্য যেমনি জসগণ ভোগান্তির শিকার হয়। অপরদিকে সরকারেরও দূর্নাম হয়। সড়কটি যথাযথ তদারকির মাধ্যমে সিডিউল মোতাবেক সংস্কার করার জন্য সাবকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর এমপিসহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।