Articles by "Haziganj"
Showing posts with label Haziganj. Show all posts

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার দু’বারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ¦ আবদুল মান্নান খাঁন বাচ্চু’র প্রথম স্ত্রী জাহানারা বেগম (৭০) রোববার (৮ মে) সকাল ১১টায় ঢাকা পপুলার হাসপাতালে শেষ নিঃস্বাশ ত্যাগ করেন ।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জাহানারা বেগম দীর্ঘ দিন ধরে কিডনী জনিত রোগে ভুগছিলেন । মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, ১ ছেলে ও ১ মেয়েসহ অসংখ্যা গুনগ্রাহী রেখে গেছেন ।
রোববার বাদ মাগরিব খেয়াঘাট জামে মসজিদে প্রথম জানাযা,বাদ এশা হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে দ্বিতীয় জানাযা এবং মরহুমের স্বামীর নিজ বাড়ি রান্ধুনীমুড়া গ্রামের মসজিদে ৩য় জানাযা শেষে তাকে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয় । মরহুমার জানাযায় হাজীগঞ্জের বিশিষ্টজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সাবেক এ মেয়রের প্রথম স্ত্রী জাহানারা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উওম, সাবেক সাংসদ এম এ মতিন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আ. রশিদ মজুমদার, শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বর্তমান মেয়র আ.স.ম মাহবুব-উল-আলম লিপন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইঞ্জি. মমিনুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক গাজী মো. মাঈন উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সফল আহবায়ক ড. মো. আলমগীর কবির পাটওয়ারী ও শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ আহম্মেদ খসরু ।
এ সময় তারা মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

থানার ভুয়ার কাজ করেন, এতেই তিনি অনেক কিছু। থানা-পুলিশের দাপট খাটিয়ে নানা অপরাধ কর্মকা- করেই যাচ্ছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
জানা যায়, হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার বদরপুর কবিরাজ বাড়ীর রুহুল আমিনের স্ত্রী লিলু বেগম (৩৫) দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে থানার অফিসারদের ম্যাচে ভুয়া কাজ করে আসছেন। সে সুবাদে এলাকার সাধারণ মানুষের কোন একটি ঘটনা ঘটলেই মামলা কিংবা পুলিশের বড়াই দেখিয়ে নগদ অর্থ হাতিয়ে নিতেন বলে অভিযোগ উঠে।
এসব অনিয়ম করতে গিয়ে এলাকার গন্যমান্যদের কোন তয়াক্কা করতেন না ভুয়া লিলু বেগম।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, লিলু বেগমের ৩ ছেলে ২ মেয়ে রয়েছেন। স্বামী রুহুল আমিনের সাথে তার ভালো সম্পর্ক নেই। প্রায়ই সে তার স্বামীকে ধরে মারধর করে আসছে বলে জানায় এলাকাবাসী।
লিলু বেগমের কায়দায় পড়ে প্রতারিত হয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বদরপুর এলাকার এমন কয়েকজন ভূক্তভোগী এ প্রতিবেদকের কাছে বলেন, আমরা জানি সে থানার অফিসারদের ভাত পাক করেন। যে কারণে অফিসারদের সাথে তার একটা ভালো সম্পর্ক আছে। কিন্তু আমাদের এলাকায় যখন কোনো সমস্যা হয়,তখন লিলু বেগম নিজেই খবর শুনে উভয় পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে পুলিশের সহযোগিতার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেন।
বিশেষ করে মহিলাদের ঘরোয়া কোন ঝামেলা হলে তাদেরকে গিয়ে উৎসাহ দিতেন মামলা করার জন্য। সে এলাকায় সাধারণ মানুষের সামনে জাহির করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসতেন। তার আচরণে কেউ মুখ খুললে তাদেরকে তিনি হেনেস্থা করেন।
কিছু দিন আগে লিলু বেগমের ছেলে সবুজ এলাকায় মোবাইল চুরির অপরাধে জেল খেটে এসেছে।
দিনের পর দিন এলাকায় লিলু বেগম নিজেকে অনেক কিছু বলে জাহির করে আসতেন। তার এ অত্যাচারে সাধারণ মানুষ অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। তাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা থানার অফিসার ইনচার্জ বিষয়টি খোজ নিয়ে লিলু বেগমকে যেন সতর্ক হওয়ার নির্দ্দেশ দেন।
অভিযুক্ত লিলু বেগমের সাথে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো.শাহআলমের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জানামতে লিলু বেগম ভুয়ার কাজে ব্যস্ত থাকেন। তার পরেও যদি কারও সাথে কোন রকম প্রতারণা করে থাকে তাহলে বিষয়টি আমার কাছে অভিযোগ করার আহবান জানাই।

বুধবার প্রকাশিত ২০১৬ সালে এস এস সি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরিতে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪১৫ জন।
এর মধ্যে এসএসসি’তে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৭৬, দাখিলে ২৩ ও ভোকেশনালে ১৬ জন।
ঘোষিত ফলাফলে ৫২জন জিপিএ ৫ পেয়ে উপজেলায় শীর্ষ স্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। হাজীগঞ্জ মডেল পাইলট হাই স্কুল এন্ড কলেজ থেজে ৬৬ জন জিপিএ ৫ পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
এ+’
তথ্য অনুযায়ী, হাজীগঞ্জ উপজেলার ৩২টি বিদ্যালয়ের মধ্যে পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর ১৯৭ পরীক্ষার্থীর মধ্যে সবাই কৃতকার্য হয়েছে। এতে এ+’ ৫২ জন এ ১২৮, এ-’ ১৭ জন।
হাজীগঞ্জ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ থেকে ২৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২৬৬ জন। এতে এ+’ ৬৬, এ’ ১৭০, এ-’ ২৪, বি’ ৬ জন পেয়েছেন।
হাজীগঞ্জ আমিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৮১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে সবাই। এতে এ+’ ৩২, এ’ ১৩১, এ-’ ১৭, বি’ ১ জন পেয়েছেন।
ধড্ডা পপুলার উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে শতভাগ। এতে এ+’ ১৫, এ’ ৭৩, এ-’ ০৮, সি’ ১ জন পেয়েছেন।
বলাখাল জে এন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কারিগরি কলেজে ৮৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৮১ জন। এতে এ+’ ১৫, এ’ ৪২, এ-’ ২৩, বি’ ১ জন পেয়েছেন।
পেরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে শতভাগ। এতে এ+’ ১৮, এ’ ৪১, এ-’ ২ জন পেয়েছেন।
পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে সবাই। এতে এ+’ ১৩, এ’ ৭০, এ-’ ৪, বি’ ১ জন পেয়েছেন।
জগন্নাথপুর হাজী এরশাদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১৩৮ জন। এতে এ+’ ১৮, এ’ ৯১ , এ-’ ২২, বি’ ৭ জন পেয়েছেন।
টংগীর পাড় হাটিলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১১০ জন। এতে এ+’ ১৯, এ’ ৪৩, এ-’ ৩৯, বি’ ৯ জন পেয়েছেন।
দেশগাঁও জয়নাল আবেদীন উর্চ্চ বিদ্যালয়ে ১১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১০৬ জন। এতে এ+’ ০৭, এ’ ৫৪, এ-’ ৩২, বি’ ১০ ও সি’ ৩ জন পেয়েছেন।
নাসিরকোর্ট উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১২৪ জন। এতে এ+’ ০৪, এ’ ৪০, এ-’ ৪৯, বি’ ১৯ ও সি’ ১২ জন পেয়েছেন।
পীর বাদশা মিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২২ জন। এতে এ ৪,এ-৫,বি ১০ ও সি ১৩ জন পেয়েছেন।
পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১০৮ জন। এতে এ+’ ১১,এ ৫৪,এ-৩২,সি ২ ও ডি ৯ জন পেয়েছেন।
বাকিলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৬৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১৪১ জন। এতে এ ৬৩,এ-৪৩,বি ২৪ ও সি ১১ জন পেয়েছেন।
বোরখাল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২৬ জন। এতে এ ০৫,এ-১১,বি ১০ জন পেয়েছেন।
বলাখাল চন্দ্রবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯৫ জন। এতে এ+’ ০৫,এ ৩৭,এ-৩২,বি ১৭ ও সি ০৪ জন পেয়েছেন।
বেলচোঁ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৭১ জন। এতে এ+’ ০৩,এ ৩৯,এ-২০,বি ৭ ও সি ০২ জন পেয়েছেন।
বলিয়া উর্চ্চ বিদ্যালয়ে ১১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১০৯ জন। এতে এ+’ ০৭,এ ৭৩,এ-২৮,বি ০১ জন পেয়েছেন।
বড়কূল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৩৬ জন। এতে এ+’ ০৭,এ ১৫,এ-১৪ জন পেয়েছেন।
বড়কূল রামকানাই উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৭৩২ জন। এতে এ+’ ০৪,এ ৫২,এ- ১২,বি ৫ জন পেয়েছেন।
মেনাপুর বাদশা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯৩ জন। এতে এ+’ ০৩,এ ৪০,এ-৩৯,বি ১০ও সি ০১ জন পেয়েছেন।
মালিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৭৪ জন। এতে এ+’ ০৮,এ ৩২,এ-২৯,বি ৫ জন পেয়েছেন।
মৈশাইদ পল্লী মঙ্গল এ জি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১৮ জন। এতে এ+’ ০১,এ ০৯,এ-০৮ জন পেয়েছেন।
রাজারগাও উর্চ্চ বিদ্যালয়ে ১৯৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১৫৬ জন। এতে এ+’ ০৮,এ ৪৫,এ-৩৭,বি ৪৩ ও সি ২৩ জন পেয়েছেন। রান্ধনীমুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে শতভাগ পাশ করেছে। এতে এ+’ ০৫,এ ৪৯,এ-০৩ জন পেয়েছেন।
রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৪৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২১৭ জন। এতে এ+’৯, এ ৯০, এ-৭৮, বি ৩৬ ও সি পেয়েছে ৪জন।
রামচন্দ্রপুর ভূইয়া একাডেমী ৯৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯৪ জন। এতে এ+’ ৮, এ’ ৫৫, এ-’ ২৮ ও বি’ পেয়েছে ৩জন।
শ্রীপুরউচ্চ বিদ্যালয় ৫৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৫১ জন। এতে এ ১৮, এ-’২১ ও বি ৯ ও সি পেয়েছে ৩জন।
সপ্তগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৪১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৪১ জন। এতে এ+’৭, এ ৩৩, এ-’ পেয়েছে ০১ জন।
সুহিলপুর উচ্চ বিদ্যালয় ১১০জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১০৭ জন। এতে এ+’১৫, এ ৬০, এ-’ পেয়েছে ৩২ জন।
অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৫৭ জন। এতে এ+’ ৩, এ ৩৬, এ-’ ১৭, বি পেয়েছে ১ জন।
আল কাউসার স্কুল ৪৮জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৪৮ জন। এতে এ+’ ১৩, এ পেয়েছে ৩৫ জন।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ শ্রী শ্রী রাজা লক্ষ্মী নারায়ণ জিউড় আখড়ার গত কয়েক দিনের বিদ্যমান পরিস্থিতি অবশেষে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে এসেছে।
বর্তমান কমিটির একক স্বেচ্ছাচারিতায় আগামী ১৪ মে শনিবার নতুন কার্যকরী কমিটির সভা ও অভিনব কায়দায় অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন অবশেষে চাঁদপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.আশ্রাফুজ্জামানের হস্তক্ষেপে স্থগিত করা হয়।
পরবর্তীতে হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম উভয় পক্ষের ৩ জন করে ৬ জনকে নিয়ে বিদ্যমান পরিস্থিতি সমাধানে একমত হয়েছেন।
ওই বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী ৪ মাসের মধ্যে হালনাগাদ ভোটার তালিকা সম্পূর্ণ করে জিউড় আখড়ার বিগত সময়ের আয় ব্যয়ের খসড়া অনুমোদনসহ নানা জটিলতা নিরসনে কাজ করে যাওয়া সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সমজোতার ভিত্তিতে নতুন রেজুলেশন অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার অফিসার ইনচার্জ কার্যালয়ে পুনরায় বৈঠক বসার কথা রয়েছে।
শনিবারের অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন স্থিগিত হওয়ায় আন্দোলনরত এক পক্ষের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তারা আশা করেন জিউড় আখড়ার বিদ্যমান পরিস্থিতি সমাধান করে হাজীগঞ্জ উপজেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐক্যের ধারা ফিরে আসবে বলে বিশ্বাস করেন।
এ জন্য আবারও প্রশাসন সহ সর্বস্তরের হি›দ্রু সম্প্রদায়ের নীতি নির্ধারকদের বিদ্যমান পরিস্থিতি সমাধানে সহযোগিতার জন্য জিউড় আখড়ার সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রবীন কুমার ফটিকসাহা ধন্যবাদ জানান।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম বলেন, জিউড় আখড়া দুই পক্ষের লোকদের নিয়ে ইতিমধ্যে আমাদের প্রশাসন থেকে সর্বস্তর সহযোগিতা আশ্বাসে বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টায় অব্যাহত আছি।


চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে শবে বরাতে ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে । চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত মতে, ২২ মে শবে বরাত।
বাদ আছর থেকে সারা রাত ব্যাপি শবে বরাতের গুরুত্ব ও ফজিলত সর্ম্পকে বিস্তারিত আলোচনা করবেন বিশিষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান ,আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা রফিক আহমাদ ও মাওলানা কামালউদ্দীন আব্বাসী।
সভাপতিত্ব করবেন হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের খতিব আরহাজ¦ হাফেজ মাওলানা মুফতি মো.আব্দুর রউফ। ওয়াজ শেষে দেশ ও মানবজাতির কল্যাণে বিশেষ ভাবে দোয়া পরিচালিত হবে।
no image
হাজীগঞ্জ পৌর এলাকা ও সদর ইউনিয়নে চারদিনের মাথায় সংঘটিত দুটি হত্যাকান্ডে জনমনে ভীতির সঞ্চার হয়েছে। সোমবার (১৬ মে) ডাকাতিয়া নদী থেকে হিন্দু এক ব্যক্তির লাশ এবং বৃহস্পতিবার (১৯ মে) ডোবা থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘাতকরা দুটি হত্যাকান্ডই সন্তর্পণে সংঘটিত করে নির্বিঘœ নিরাপদ অবস্থানে চলে যেতে সক্ষম হয়। দুটি হত্যাকান্ডে ঘাতকরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে এবং লাশ জলাশয়ে ফেলে দেয়। দুটি হত্যার ধরণ প্রায় একই হওয়ায় পর্যবেক্ষক মহলে প্রশ্ন জেগেছে, তাহলে হাজীগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে ভাড়াটিয়া খুনিদের দ্বারা হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে?

    হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ গত সোমবার সদর ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামের নিজ বাড়ির পাশের ডাকাতিয়া নদী থেকে ননী গোপালের ছেলে নিখিলের লাশ উদ্ধার করে। আর বৃহস্পতিবার বিকেলে হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর পাশে ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন নিজ বাড়ির পাশের ডোবা থেকে পুলিশ উদ্ধার করে মোবাশ্বেরা বেগম (৫০)-এর লাশ। এই মোবাশ্বেরা হাজীগঞ্জ বাজারের বহুল পরিচিত হোমিও চিকিৎসক আবুল কাশেমের স্ত্রী। তিনি ছিলেন ১ পুত্র ও ৩ কন্যার জননী। অপরদিকে হত্যাকান্ডের শিকার অলিপুর গ্রামের নিখিল চন্দ্র (৪২) ছিলেন ১ পুত্র ও ১ কন্যার জনক।

    হাজীগঞ্জের এ দুটি হত্যাকান্ডে এলাকার লোকজন ভীষণ মর্মাহত। নিখিলের হত্যাকান্ডকে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের বলে ধারণা করা হলেও মোবাশ্বেরা হত্যাকান্ড কী কারণে সংঘটিত হলো তা আপাতত জানা যায় নি। তবে স্বামী-সন্তানদের অবর্তমানে বাড়িতে একাকী পেয়ে খুনিরা মোবাশ্বেরাকে দিনে-দুপুরে নির্বিঘেœ হত্যা করতে সক্ষম হয়েছে বলে ধারণা করা যায়।

    আসলে কোনো হত্যাকান্ডই কোনো পরিবার এবং এলাকার জন্যে সুখকর নয়, অনেক বেদনাদায়ক। একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হলেই অকুস্থলের মানুষ উদ্বিগ্ন হয়, অনেকেই মানসিক যাতনায় ভোগে। সে হত্যাকান্ডের রহস্য যদি উন্মোচন করা না যায় এবং খুনিরা যদি ধরা না পড়ে তাহলে জনমনে হতাশা ও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। আর খুনের পরিকল্পনাকারী ও খুনিরা উৎসাহ বোধ করে। হাজীগঞ্জে ৪ দিনের ব্যবধানে পর পর দুটি হত্যাকান্ডে সেখানকার পরিস্থিতি যে কী রকম হতে পারে তা প্রাগুক্ত বিবরণের আলোকে সহজেই অনুমান করা যায়।

    আমাদের বিশ্বাস, হাজীগঞ্জ থানার পুলিশ দুটি হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচনে খুবই আন্তরিক হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনমনে সৃষ্ট ভীতি, হতাশা, অস্থিরতা ইত্যাদি দূরীকরণে সক্ষম হবে।