হাজীগঞ্জ পৌর এলাকা ও সদর ইউনিয়নে চারদিনের মাথায় সংঘটিত দুটি হত্যাকান্ডে জনমনে ভীতির সঞ্চার হয়েছে। সোমবার (১৬ মে) ডাকাতিয়া নদী থেকে হিন্দু এক ব্যক্তির লাশ এবং বৃহস্পতিবার (১৯ মে) ডোবা থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘাতকরা দুটি হত্যাকান্ডই সন্তর্পণে সংঘটিত করে নির্বিঘœ নিরাপদ অবস্থানে চলে যেতে সক্ষম হয়। দুটি হত্যাকান্ডে ঘাতকরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে এবং লাশ জলাশয়ে ফেলে দেয়। দুটি হত্যার ধরণ প্রায় একই হওয়ায় পর্যবেক্ষক মহলে প্রশ্ন জেগেছে, তাহলে হাজীগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে ভাড়াটিয়া খুনিদের দ্বারা হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে?
হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ গত সোমবার সদর ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামের নিজ বাড়ির পাশের ডাকাতিয়া নদী থেকে ননী গোপালের ছেলে নিখিলের লাশ উদ্ধার করে। আর বৃহস্পতিবার বিকেলে হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর পাশে ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন নিজ বাড়ির পাশের ডোবা থেকে পুলিশ উদ্ধার করে মোবাশ্বেরা বেগম (৫০)-এর লাশ। এই মোবাশ্বেরা হাজীগঞ্জ বাজারের বহুল পরিচিত হোমিও চিকিৎসক আবুল কাশেমের স্ত্রী। তিনি ছিলেন ১ পুত্র ও ৩ কন্যার জননী। অপরদিকে হত্যাকান্ডের শিকার অলিপুর গ্রামের নিখিল চন্দ্র (৪২) ছিলেন ১ পুত্র ও ১ কন্যার জনক।
হাজীগঞ্জের এ দুটি হত্যাকান্ডে এলাকার লোকজন ভীষণ মর্মাহত। নিখিলের হত্যাকান্ডকে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের বলে ধারণা করা হলেও মোবাশ্বেরা হত্যাকান্ড কী কারণে সংঘটিত হলো তা আপাতত জানা যায় নি। তবে স্বামী-সন্তানদের অবর্তমানে বাড়িতে একাকী পেয়ে খুনিরা মোবাশ্বেরাকে দিনে-দুপুরে নির্বিঘেœ হত্যা করতে সক্ষম হয়েছে বলে ধারণা করা যায়।
আসলে কোনো হত্যাকান্ডই কোনো পরিবার এবং এলাকার জন্যে সুখকর নয়, অনেক বেদনাদায়ক। একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হলেই অকুস্থলের মানুষ উদ্বিগ্ন হয়, অনেকেই মানসিক যাতনায় ভোগে। সে হত্যাকান্ডের রহস্য যদি উন্মোচন করা না যায় এবং খুনিরা যদি ধরা না পড়ে তাহলে জনমনে হতাশা ও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। আর খুনের পরিকল্পনাকারী ও খুনিরা উৎসাহ বোধ করে। হাজীগঞ্জে ৪ দিনের ব্যবধানে পর পর দুটি হত্যাকান্ডে সেখানকার পরিস্থিতি যে কী রকম হতে পারে তা প্রাগুক্ত বিবরণের আলোকে সহজেই অনুমান করা যায়।
আমাদের বিশ্বাস, হাজীগঞ্জ থানার পুলিশ দুটি হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচনে খুবই আন্তরিক হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনমনে সৃষ্ট ভীতি, হতাশা, অস্থিরতা ইত্যাদি দূরীকরণে সক্ষম হবে।
হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ গত সোমবার সদর ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামের নিজ বাড়ির পাশের ডাকাতিয়া নদী থেকে ননী গোপালের ছেলে নিখিলের লাশ উদ্ধার করে। আর বৃহস্পতিবার বিকেলে হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর পাশে ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন নিজ বাড়ির পাশের ডোবা থেকে পুলিশ উদ্ধার করে মোবাশ্বেরা বেগম (৫০)-এর লাশ। এই মোবাশ্বেরা হাজীগঞ্জ বাজারের বহুল পরিচিত হোমিও চিকিৎসক আবুল কাশেমের স্ত্রী। তিনি ছিলেন ১ পুত্র ও ৩ কন্যার জননী। অপরদিকে হত্যাকান্ডের শিকার অলিপুর গ্রামের নিখিল চন্দ্র (৪২) ছিলেন ১ পুত্র ও ১ কন্যার জনক।
হাজীগঞ্জের এ দুটি হত্যাকান্ডে এলাকার লোকজন ভীষণ মর্মাহত। নিখিলের হত্যাকান্ডকে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের বলে ধারণা করা হলেও মোবাশ্বেরা হত্যাকান্ড কী কারণে সংঘটিত হলো তা আপাতত জানা যায় নি। তবে স্বামী-সন্তানদের অবর্তমানে বাড়িতে একাকী পেয়ে খুনিরা মোবাশ্বেরাকে দিনে-দুপুরে নির্বিঘেœ হত্যা করতে সক্ষম হয়েছে বলে ধারণা করা যায়।
আসলে কোনো হত্যাকান্ডই কোনো পরিবার এবং এলাকার জন্যে সুখকর নয়, অনেক বেদনাদায়ক। একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হলেই অকুস্থলের মানুষ উদ্বিগ্ন হয়, অনেকেই মানসিক যাতনায় ভোগে। সে হত্যাকান্ডের রহস্য যদি উন্মোচন করা না যায় এবং খুনিরা যদি ধরা না পড়ে তাহলে জনমনে হতাশা ও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। আর খুনের পরিকল্পনাকারী ও খুনিরা উৎসাহ বোধ করে। হাজীগঞ্জে ৪ দিনের ব্যবধানে পর পর দুটি হত্যাকান্ডে সেখানকার পরিস্থিতি যে কী রকম হতে পারে তা প্রাগুক্ত বিবরণের আলোকে সহজেই অনুমান করা যায়।
আমাদের বিশ্বাস, হাজীগঞ্জ থানার পুলিশ দুটি হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচনে খুবই আন্তরিক হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনমনে সৃষ্ট ভীতি, হতাশা, অস্থিরতা ইত্যাদি দূরীকরণে সক্ষম হবে।
Post A Comment:
0 comments: