Articles by "Chandpur News"
Showing posts with label Chandpur News. Show all posts


চাঁদপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) সকালে জেলা পরিষদ হল রুমে ২০১৫ সালে উর্ত্তীণ জেলার মেধাবী ও দরিদ্র এবং মুক্তিযোদ্ধা পোষ্য ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে  শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে।
শিক্ষাবৃত্তি চেক প্রদানপূবৃ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদের  প্রশাসক মুক্তিযোদ্ধা লেঃ কর্নেল (অবঃ ) আবু ওসমান চৌধুরী বলেছেন,জেলা পরিষদ প্রতিবছর জেলার মেধাবী ও দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান করে থাকে। মেধাবী ও দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের সকল সময় জেলা পরিষদ মূল্যায়ন করবে। বৃত্তি প্রদান জেলা পরিষদের কার্যাবলীর একটি অংশ। এর অংশ হিসেবে এবারও ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবিষৎতে বৃত্তির টাকার পরিমান আরো বৃদ্ধি করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরো বলেন, যারা ভাল ফলাফল করবে জেলা পরিষদ তাদের দিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিবে।
তিনি সকল ছাত্র-ছাত্রীদের আরো ভাল ফলাফল করার জন্য অনুরোধ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ প্রসংগে তিনি বলেন,তোমাদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। তা আবার সবাইকে জানাতেও হবে। তাই তোমাদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তির বই পাঠদান করতে হবে।
অনুষ্ঠানের আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন,জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব )  আবদুল মান্নান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি বিএম হান্নান,সাধারণ সম্পাদক সোহেল রুশদী। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন,  জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন রাসেল।
বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মেধাবী শিক্ষার্থী মুনমুন। পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন,মাওঃ মনির হোসাইন। উল্লেখ্য,২০১৫ সালে উর্ত্তীণ জেলার  এসএসসি ও এইচ এস সি সমমান ১৩৯ জন কৃতি এবং দরিদ্র ও মুক্তিযোদ্ধা পোষ্য  ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ৬ লক্ষ ১১হাজার টাকার চেক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বই প্রদান করা হয়।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার দু’বারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ¦ আবদুল মান্নান খাঁন বাচ্চু’র প্রথম স্ত্রী জাহানারা বেগম (৭০) রোববার (৮ মে) সকাল ১১টায় ঢাকা পপুলার হাসপাতালে শেষ নিঃস্বাশ ত্যাগ করেন ।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জাহানারা বেগম দীর্ঘ দিন ধরে কিডনী জনিত রোগে ভুগছিলেন । মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, ১ ছেলে ও ১ মেয়েসহ অসংখ্যা গুনগ্রাহী রেখে গেছেন ।
রোববার বাদ মাগরিব খেয়াঘাট জামে মসজিদে প্রথম জানাযা,বাদ এশা হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে দ্বিতীয় জানাযা এবং মরহুমের স্বামীর নিজ বাড়ি রান্ধুনীমুড়া গ্রামের মসজিদে ৩য় জানাযা শেষে তাকে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয় । মরহুমার জানাযায় হাজীগঞ্জের বিশিষ্টজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সাবেক এ মেয়রের প্রথম স্ত্রী জাহানারা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উওম, সাবেক সাংসদ এম এ মতিন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আ. রশিদ মজুমদার, শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বর্তমান মেয়র আ.স.ম মাহবুব-উল-আলম লিপন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইঞ্জি. মমিনুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক গাজী মো. মাঈন উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সফল আহবায়ক ড. মো. আলমগীর কবির পাটওয়ারী ও শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ আহম্মেদ খসরু ।
এ সময় তারা মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

চাঁদপুর শাহরাস্তি উপজেলার মেহার-ডল্টা এবং মেহার-লোটরা সড়কের বেহাল অবস্থা।


Nfc Club বার্তা নিউজ :

চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা খাও দাও ঘুমাও, কাজের এই নিয়মে পরিনত হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগাধীন শাহরাস্তি উপজেলার মেহার-ডল্টা সড়কের শাহরাস্তি গেইট (দোয়াভাঙ্গা) হতে পৌরসভা সদর ঠাকুর বাজার মহামায়া গাছ তল, মডেল স্কুল, হাসপতাল গেইট, মেহার কালিবাড়ির অগ্রণী ব্যাংক এলাকা হতে উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত।

চাঁদপুর শহরতলী ওয়াপদা গেইট এলাকায় আবারো সড়ক দুর্ঘটনায় দু’সিএনজি স্কুটারের ৭ যাত্রী গুরতর আহত হয়েছে। রোববার (১৫ মে) দুপুরে ওয়াপদা গেইট এলাকার ৫৬ নং খলিসাডুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন ১২ নং চান্দ্রা ই্উনিয়নের দক্ষিন বালিয়া গ্রামের সৈয়দ গাজী (৬০), তার দু মেয়ে সুরভী আক্তার (২২), সোনিয়া আক্তার (২০),১০ নং লক্ষীপুর মডেল ইউনিয়নের মিজানুর রহমানের পুত্র মোহাম্মদ হোসেন খান (২২), ও আনিছ আহমেদ (১৮), চাদপুর সদরের আমনউল্লাহ পুরের মৃত বাকের আলীর পুত্র জাকির হোসেন (৪৮)এবং বহরিয়া গ্রামের শামসু শেখের পুত্র সিএনজি স্কুটার চালক ইসমাইল হোসেন (৩০)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় চাঁদপুর থ ১১-৬৫৯৩ নং সিএনজি স্কুটারটি যাত্রী নিয়ে বাবুরহাটের দিকে যাচ্ছিলো। স্কুটারটি স্কুলের ওই স্থানে পৌঁছলে হঠাৎ একটি শিশু রাস্তার একপাশ থেকে অপর পাশে দৌড় দেয়। তখন স্কুটার চালক শিশুটিকে বাঁচানোর চেষ্টায় গাড়িটি ব্রেক করতে গিয়ে গাড়িটি রাস্তার রং সাইডে চলে যায়। ওই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা অন্য সিএনজি স্কুটারের সাথে পাশাপাশি সংঘর্ষ বাধে। এতে করে রাস্তা পার হওয়া ওই শিশুসহ দু স্কুটারে থাকা ৭ জন যাত্রী গুরতর আহত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চাদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে এদের মধ্যে স্কুটার চালক ইসমাইল হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

চাঁদপুরে চা দোকান কর্মচারী রুবেল বেপারী হত্যা মামলায় মো. ওমর খান (৩০) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে আদালত। রোববার (২২ মে) দুপুরে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশিদ এই রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত ওমর খান চাঁদপুর সদর উপজেলার খলিশাডুলী এলাকার সিরাজ খানের ছেলে। ওমরকে যাবজ্জীবন কারাদ- ছাড়াও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নিহত রুবেল বেপারী চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজার রামদাসদী এলাকার মো. সিরাজ বেপারীর ছেলে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২০০৭ সালের ২৩ জুন দুপুরের দিকে শহরতলীর খলিসাডুলী হাজী সুপার মার্কেটের দুদু খানের দোকানের কর্মচারী রুবেল বেপারীর কাছে চা-সিঙ্গারা বাকি চায় ওমর খান। রুবেল বাকি দিতে অস্বীকার করলে ওমর তাকে দোকানে থাকা ছোরা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।
এ ঘটনায় দোকান মালিক দুদু খান চাঁদপুর মডেল থানায় ওমর খানকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে এবং আসামিকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
মামলার প্রেক্ষিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁদপুর মডেল থানর উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুনীল কুমার সেন ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
সরকার পক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডঃ মো. সাইয়েদুল ইসলাম বাবু চাঁদপুর টাইমসকে জানান, প্রায় ৯ বছর মামলাটি আদালতে চলমান থাকার পর ১১ জনের সাক্ষী নেয়া হয়েছে। এতে দ-বিধি ৩০২ ধারায় আনিত অভিযোগ সন্দেহাতীত ও সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
ফলে ওমর খানকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও এক লাখ টাকা সমপরিমাণ অর্থদ- দেয়া হয়। বিচারক আসামির পরিবারের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা আদায় করে নিহতের পরিবারকে বুঝিয়ে দিতে নির্দেশ প্রদান করেন।
আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন (স্ট্রেট ডিফেন্স ল’ইয়ার) অ্যাডভোকেট রোমানা আফরোজ।
no image
হাজীগঞ্জ পৌর এলাকা ও সদর ইউনিয়নে চারদিনের মাথায় সংঘটিত দুটি হত্যাকান্ডে জনমনে ভীতির সঞ্চার হয়েছে। সোমবার (১৬ মে) ডাকাতিয়া নদী থেকে হিন্দু এক ব্যক্তির লাশ এবং বৃহস্পতিবার (১৯ মে) ডোবা থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘাতকরা দুটি হত্যাকান্ডই সন্তর্পণে সংঘটিত করে নির্বিঘœ নিরাপদ অবস্থানে চলে যেতে সক্ষম হয়। দুটি হত্যাকান্ডে ঘাতকরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে এবং লাশ জলাশয়ে ফেলে দেয়। দুটি হত্যার ধরণ প্রায় একই হওয়ায় পর্যবেক্ষক মহলে প্রশ্ন জেগেছে, তাহলে হাজীগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে ভাড়াটিয়া খুনিদের দ্বারা হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে?

    হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ গত সোমবার সদর ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামের নিজ বাড়ির পাশের ডাকাতিয়া নদী থেকে ননী গোপালের ছেলে নিখিলের লাশ উদ্ধার করে। আর বৃহস্পতিবার বিকেলে হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর পাশে ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন নিজ বাড়ির পাশের ডোবা থেকে পুলিশ উদ্ধার করে মোবাশ্বেরা বেগম (৫০)-এর লাশ। এই মোবাশ্বেরা হাজীগঞ্জ বাজারের বহুল পরিচিত হোমিও চিকিৎসক আবুল কাশেমের স্ত্রী। তিনি ছিলেন ১ পুত্র ও ৩ কন্যার জননী। অপরদিকে হত্যাকান্ডের শিকার অলিপুর গ্রামের নিখিল চন্দ্র (৪২) ছিলেন ১ পুত্র ও ১ কন্যার জনক।

    হাজীগঞ্জের এ দুটি হত্যাকান্ডে এলাকার লোকজন ভীষণ মর্মাহত। নিখিলের হত্যাকান্ডকে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের বলে ধারণা করা হলেও মোবাশ্বেরা হত্যাকান্ড কী কারণে সংঘটিত হলো তা আপাতত জানা যায় নি। তবে স্বামী-সন্তানদের অবর্তমানে বাড়িতে একাকী পেয়ে খুনিরা মোবাশ্বেরাকে দিনে-দুপুরে নির্বিঘেœ হত্যা করতে সক্ষম হয়েছে বলে ধারণা করা যায়।

    আসলে কোনো হত্যাকান্ডই কোনো পরিবার এবং এলাকার জন্যে সুখকর নয়, অনেক বেদনাদায়ক। একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হলেই অকুস্থলের মানুষ উদ্বিগ্ন হয়, অনেকেই মানসিক যাতনায় ভোগে। সে হত্যাকান্ডের রহস্য যদি উন্মোচন করা না যায় এবং খুনিরা যদি ধরা না পড়ে তাহলে জনমনে হতাশা ও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। আর খুনের পরিকল্পনাকারী ও খুনিরা উৎসাহ বোধ করে। হাজীগঞ্জে ৪ দিনের ব্যবধানে পর পর দুটি হত্যাকান্ডে সেখানকার পরিস্থিতি যে কী রকম হতে পারে তা প্রাগুক্ত বিবরণের আলোকে সহজেই অনুমান করা যায়।

    আমাদের বিশ্বাস, হাজীগঞ্জ থানার পুলিশ দুটি হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচনে খুবই আন্তরিক হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনমনে সৃষ্ট ভীতি, হতাশা, অস্থিরতা ইত্যাদি দূরীকরণে সক্ষম হবে। 
চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ২য় সেমি-ফাইনাল খেলায় টাইব্রেকারে হাইমচর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে চাঁদপুর সদর উপজেলা দল। আগামী রোববার বিকেল ৩টায় চাঁদপুর সদর ও কচুয়া উপজেলা দলের মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।




গতকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত খেলায় দু দলই আক্রমণ পাল্টা আক্রমণের মধ্যে খেলা শুরু করে। দু দলই গোল দেয়ার জন্যে মরিয়া হয়ে উঠে। কিন্তু সদর উপজেলা দলের খেলোয়াড়রা বেশ ক'বার বেশ কটি গোল করার সুযোগ মিস করে। শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টের ২য় সেমি-ফাইনাল খেলাটি গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেও দেখা যায় সদর উপজেলা দলের খেলোয়াড়দের ব্যর্থতা। একমাত্র সদরের গোলকিপার ও স্টপার তুহিনের কৌশলের কারণে শেষ পর্যন্ত ১৬তম জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠলো চাঁদপুর সদর উপজেলা দল।


গতকালকের খেলায় অংশ নেয়া দু' দলের খেলোয়াড়রা হলেন : হাইমচর উপজেলা দল : মিলন, শিপন, রিপন, শাহ আলম, শাকিল, আল সিয়াম, জুয়েল, মিলন, এমরান, আল-আমিন, মধুসূদন। বদলি খেলোয়াড় : আবুল কালাম, রহমান, মিলাদ, সোহাগ, মেহেদী হাসান ও মামুন।


চাঁদপুর সদর উপজেলা দল : কামাল, মিল্টন, তুহিন, রাজা, সোহেল, লাবু, আব্বাস, জয়নাল, বিষ্ণু, মোহাম্মদ উল্যাহ সুমন, জহির। বদলি খেলোয়াড় : সরোয়ার, রিপন, সুমন, রুহুল আমিন, মাইনুদ্দিন, মেহেদী হাসান ও হাবিব।


খেলা পরিচালনা করেন রেফারী নজরুল ইসলাম মিন্টু। সহকারী রেফারী সেলিম আহমেদ টুমু, মাসুদুর রহমান মাসুম ও তরুণ দে।
চাঁদপুর ২শ’ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের অবহেলায় ঢাকায় রেফার করা আশঙ্কাজনক রোগীরা বিপাকে।

চাঁদপুর শহর এবং শহরতলীর ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীদের কোনো কাজের আসছে অলস পড়ে থাকার সরকারি দুটি অ্যাম্বুলেন্স। চলাচলের উপযোগী হলেও চালকদের অবহেলাকে দায়ী করছেন রোগীরা।
এ ধরণের একটি অভিযোগ পাওয়া যায়, গত ৩০ মে সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের হৃদরোগ আক্রান্ত মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলামের পরিবারের কাছে।
ওই পরিবারের সদস্যরা জানান, ৩০ মে বিকেলে মুক্তিযুদ্ধা মফিজুল ইসলাম হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পড়লে তারা তাকে চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশংঙ্কাজনক দেখে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার জন্য পরামর্শ দেন।
ডাক্তারের পরামর্শ পরিবারের লোকজন মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলামকে তাৎক্ষনিক ঢাকায় নেওয়ার জন্য হাসপাতালের দু’টি অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে একটির চালক মনির আহমেদ একাদিক বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি কিংবা তার ফোনে কে বা কারা ফোন দিলো সেটি তিনি জানার প্রয়োজন মনে করেননি।
এমনকি হাসপাতালের আরএমও ডা. মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন এ্যাম্বুলেন্স চালকদেরকে রোগীকে ঢাকা নেয়ার বিষয়ে অবগত করলেও তারা তাতেও কোন গুরুত্ব দেয়নি।
তখন স্বজনরা ব্যার্থ হয়ে অপর চালক মফিজ মিয়াকে ফোন দিলে তিনি এ্যাম্বুলেন্সের হর্ণ নষ্ট বলে এড়িয়ে যান। পরে তারা সরকারি এ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে নিরুপায় হয়ে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে রোগীকে ঢাকায় নিয়ে যান।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের তত্ত্াবধায়ক ডা. প্রদীপ কুমার দত্ত বলেন,“গত ৩০ তারিখে চালকদের এমন ঘটনার কথা আমার জানা নেই। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। আমাদের হাসাপাতালে দু’টি অ্যাম্বুলেন্স ও তার সাথের দু’জন চালকও রয়েছে। তার পরেও যদি তাদের গাফলতির কারনে রোগীদের এমন বিপাকে পড়তে হয় তাহলে’তো সেটি দু:খজনক।’
এ’বিষয়ে এ্যাম্বুলেন্স চালক মনির আহমেদের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
অপর চালক মফিজ মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘সেদিন তারা (উল্লেখিত রোগীর পরিবার) আমাকে ফোন দেওয়ার পর আমি হাসপাতালে গিয়ে তাদের সাথে কথা বলেছি। তারা এ্যাম্বুলেন্স যোগে রোগীকে ঢাকা নেওয়ার কথা বললে এ্যাম্বুলেন্সের হরণের সমস্যার কথা জানাই। এ’ছাড়াও তখন মনির আহমেদের ডিউটি ছিলো, আমার নয়।’