Articles by "News"
Showing posts with label News. Show all posts

থানার ভুয়ার কাজ করেন, এতেই তিনি অনেক কিছু। থানা-পুলিশের দাপট খাটিয়ে নানা অপরাধ কর্মকা- করেই যাচ্ছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
জানা যায়, হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার বদরপুর কবিরাজ বাড়ীর রুহুল আমিনের স্ত্রী লিলু বেগম (৩৫) দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে থানার অফিসারদের ম্যাচে ভুয়া কাজ করে আসছেন। সে সুবাদে এলাকার সাধারণ মানুষের কোন একটি ঘটনা ঘটলেই মামলা কিংবা পুলিশের বড়াই দেখিয়ে নগদ অর্থ হাতিয়ে নিতেন বলে অভিযোগ উঠে।
এসব অনিয়ম করতে গিয়ে এলাকার গন্যমান্যদের কোন তয়াক্কা করতেন না ভুয়া লিলু বেগম।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, লিলু বেগমের ৩ ছেলে ২ মেয়ে রয়েছেন। স্বামী রুহুল আমিনের সাথে তার ভালো সম্পর্ক নেই। প্রায়ই সে তার স্বামীকে ধরে মারধর করে আসছে বলে জানায় এলাকাবাসী।
লিলু বেগমের কায়দায় পড়ে প্রতারিত হয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বদরপুর এলাকার এমন কয়েকজন ভূক্তভোগী এ প্রতিবেদকের কাছে বলেন, আমরা জানি সে থানার অফিসারদের ভাত পাক করেন। যে কারণে অফিসারদের সাথে তার একটা ভালো সম্পর্ক আছে। কিন্তু আমাদের এলাকায় যখন কোনো সমস্যা হয়,তখন লিলু বেগম নিজেই খবর শুনে উভয় পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে পুলিশের সহযোগিতার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেন।
বিশেষ করে মহিলাদের ঘরোয়া কোন ঝামেলা হলে তাদেরকে গিয়ে উৎসাহ দিতেন মামলা করার জন্য। সে এলাকায় সাধারণ মানুষের সামনে জাহির করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসতেন। তার আচরণে কেউ মুখ খুললে তাদেরকে তিনি হেনেস্থা করেন।
কিছু দিন আগে লিলু বেগমের ছেলে সবুজ এলাকায় মোবাইল চুরির অপরাধে জেল খেটে এসেছে।
দিনের পর দিন এলাকায় লিলু বেগম নিজেকে অনেক কিছু বলে জাহির করে আসতেন। তার এ অত্যাচারে সাধারণ মানুষ অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। তাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা থানার অফিসার ইনচার্জ বিষয়টি খোজ নিয়ে লিলু বেগমকে যেন সতর্ক হওয়ার নির্দ্দেশ দেন।
অভিযুক্ত লিলু বেগমের সাথে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো.শাহআলমের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জানামতে লিলু বেগম ভুয়ার কাজে ব্যস্ত থাকেন। তার পরেও যদি কারও সাথে কোন রকম প্রতারণা করে থাকে তাহলে বিষয়টি আমার কাছে অভিযোগ করার আহবান জানাই।

চাঁদপুর শাহরাস্তি উপজেলার মেহার-ডল্টা এবং মেহার-লোটরা সড়কের বেহাল অবস্থা।


Nfc Club বার্তা নিউজ :

চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা খাও দাও ঘুমাও, কাজের এই নিয়মে পরিনত হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগাধীন শাহরাস্তি উপজেলার মেহার-ডল্টা সড়কের শাহরাস্তি গেইট (দোয়াভাঙ্গা) হতে পৌরসভা সদর ঠাকুর বাজার মহামায়া গাছ তল, মডেল স্কুল, হাসপতাল গেইট, মেহার কালিবাড়ির অগ্রণী ব্যাংক এলাকা হতে উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত।

চাঁদপুর শহরতলী ওয়াপদা গেইট এলাকায় আবারো সড়ক দুর্ঘটনায় দু’সিএনজি স্কুটারের ৭ যাত্রী গুরতর আহত হয়েছে। রোববার (১৫ মে) দুপুরে ওয়াপদা গেইট এলাকার ৫৬ নং খলিসাডুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন ১২ নং চান্দ্রা ই্উনিয়নের দক্ষিন বালিয়া গ্রামের সৈয়দ গাজী (৬০), তার দু মেয়ে সুরভী আক্তার (২২), সোনিয়া আক্তার (২০),১০ নং লক্ষীপুর মডেল ইউনিয়নের মিজানুর রহমানের পুত্র মোহাম্মদ হোসেন খান (২২), ও আনিছ আহমেদ (১৮), চাদপুর সদরের আমনউল্লাহ পুরের মৃত বাকের আলীর পুত্র জাকির হোসেন (৪৮)এবং বহরিয়া গ্রামের শামসু শেখের পুত্র সিএনজি স্কুটার চালক ইসমাইল হোসেন (৩০)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় চাঁদপুর থ ১১-৬৫৯৩ নং সিএনজি স্কুটারটি যাত্রী নিয়ে বাবুরহাটের দিকে যাচ্ছিলো। স্কুটারটি স্কুলের ওই স্থানে পৌঁছলে হঠাৎ একটি শিশু রাস্তার একপাশ থেকে অপর পাশে দৌড় দেয়। তখন স্কুটার চালক শিশুটিকে বাঁচানোর চেষ্টায় গাড়িটি ব্রেক করতে গিয়ে গাড়িটি রাস্তার রং সাইডে চলে যায়। ওই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা অন্য সিএনজি স্কুটারের সাথে পাশাপাশি সংঘর্ষ বাধে। এতে করে রাস্তা পার হওয়া ওই শিশুসহ দু স্কুটারে থাকা ৭ জন যাত্রী গুরতর আহত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চাদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে এদের মধ্যে স্কুটার চালক ইসমাইল হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

চাঁদপুরে চা দোকান কর্মচারী রুবেল বেপারী হত্যা মামলায় মো. ওমর খান (৩০) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে আদালত। রোববার (২২ মে) দুপুরে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশিদ এই রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত ওমর খান চাঁদপুর সদর উপজেলার খলিশাডুলী এলাকার সিরাজ খানের ছেলে। ওমরকে যাবজ্জীবন কারাদ- ছাড়াও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নিহত রুবেল বেপারী চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজার রামদাসদী এলাকার মো. সিরাজ বেপারীর ছেলে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২০০৭ সালের ২৩ জুন দুপুরের দিকে শহরতলীর খলিসাডুলী হাজী সুপার মার্কেটের দুদু খানের দোকানের কর্মচারী রুবেল বেপারীর কাছে চা-সিঙ্গারা বাকি চায় ওমর খান। রুবেল বাকি দিতে অস্বীকার করলে ওমর তাকে দোকানে থাকা ছোরা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।
এ ঘটনায় দোকান মালিক দুদু খান চাঁদপুর মডেল থানায় ওমর খানকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে এবং আসামিকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
মামলার প্রেক্ষিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁদপুর মডেল থানর উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুনীল কুমার সেন ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
সরকার পক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডঃ মো. সাইয়েদুল ইসলাম বাবু চাঁদপুর টাইমসকে জানান, প্রায় ৯ বছর মামলাটি আদালতে চলমান থাকার পর ১১ জনের সাক্ষী নেয়া হয়েছে। এতে দ-বিধি ৩০২ ধারায় আনিত অভিযোগ সন্দেহাতীত ও সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
ফলে ওমর খানকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও এক লাখ টাকা সমপরিমাণ অর্থদ- দেয়া হয়। বিচারক আসামির পরিবারের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা আদায় করে নিহতের পরিবারকে বুঝিয়ে দিতে নির্দেশ প্রদান করেন।
আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন (স্ট্রেট ডিফেন্স ল’ইয়ার) অ্যাডভোকেট রোমানা আফরোজ।


শাহরাস্তি উপজেলার চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের খেড়িহর গ্রামের তেলিয়া বাড়ির সেফটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া ৩ সন্তানের জননী রুমু বেগমের লাশ গতকাল সোমবার দাফন করা হয়েছে। গত ৭ মে দুপুরে রুমু বেগমকে খুন করে লাশ বাড়ির সেফটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়া হয়। ঘটনার পর থেকে রুমু বেগমের স্বামী পলাতক রয়েছে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, ৭ মে বেলা দেড়টায় রুমু বেগমের কন্যা মারজান (৪) তার মায়ের মৃতদেহ সেফটিক ট্র্যাংকের ভেতরে দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার করে। এরপর বাড়ির লোকজন এসে লাশটি উদ্ধার করে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরদিন ৮ মে পুলিশ লাশটি ময়না তদন্তের জন্যে চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করে। ময়না তদন্ত শেষে গতকাল তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। ঘটনার পর থেকে রুমু বেগমের স্বামী জামাল হোসেন পলাতক রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, রুমু বেগমকে মেরে লাশ সেফটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়েছে। এ হত্যার জন্যে রুমুর স্বামীকে দায়ী করেছে পরিবারের সদস্যরা।

এ ব্যাপারে রুমু বেগমের ভাই মিন্টু বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহরাস্তি থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ কামাল উদ্দিন জানান, ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। তার স্বামী জামাল হোসেন পলাতক রয়েছে I


এই সেই আফিয়া সিদ্দিকাযিনি ছিলেন নিউরো সাইন্টিস্ট, যিনি ছিলেন একজন পি.এইচ.ডি. হোল্ডার এবং যিনি ছিলেন একজন কোরআনের হাফেজা যার বুকে ধারন করেছিলেন পবিত্র কোরআনের ৩০ টি পারা।
.
এই আফিয়া সিদ্দিকাই কিডন্যাপ হয়েছিল ২০০৩ সালে যার স্থায়িত্ব ছিল ২০০৮ সাল পর্যন্ত। পরবর্তীতে নিয়ে যাওয়া হয় আমেরিকান টর্চার সেলে এবং সেখানে তার উপড় চলে পাশবিক নির্যাতন,মানসিক নির্যাতন।
.
কোরআন শরীফের পাতা ছিড়ে মেঝেতে বিছিয়ে রেখে তাকে উলংগ করে বলা হত যাও কোরআনের উপর দিয়ে গিয়ে কাপড় নিয়ে আসো।
.
ঐ নরপশুরা তাকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালাতে শুরু করে,খেলায় মেতে ওঠে ঐ হায়েনার দলেরা। পালাক্রমে গনধর্ষনের স্বীকার হন এই কোরআনের হাফেজা,
.
নিউরো সাইন্টিস্ট ড:আফিয়া সিদ্দিকা। আমেরিকান আদালত তাকে ৮৬ বছরের সাজা ঘোষনা করে এক আমেরিকান সেনা হত্যা চেস্টার অপরাধে।
.
আদালতে বিচারক কিছু বলার আছে কিনা জানতে চাইলে ড:আফিয়া সিদ্দিকা বলেন...
"আপনি তাদের ক্ষমতা দিয়েছেন আমাকে রেপ করার,উলঙ্গ করে সার্চ করার।আপনার কাছে কিছুই বলার নেই আমার,
.
আমি আমার আল্লাহর কাছে যেয়েই যা বলার বলব। আমিতো সেদিনই মরে গেছি যেদিন আমাকে প্রথম ধর্ষন করা হয়েছিল। আমাকে ছেড়ে দিন, আমাকে আমার দেশে যেতে দিন।"
.
ড:আফিয়া সিদ্দিকার মূল অপরাধ ছিল তিনি একজন কোরআনের হাফেজা ছিলেন। এত উচ্চশিক্ষিত হয়েও কেন তিনি কোরআনের দিকে ঝুঁকে ছিলেন,কেন তিনি তাঁর বক্তব্যে কোরআনের রেফারেন্স টানতেন..?
.
কেন তিনি দ্বীনের পথে সামিল হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছিলেন..? এক বছর নয় দুই বছর নয়, ,,,,,
.
নয় নয়টি বছর তাকে একটানা ধর্ষন করা হয়েছিল ঐ অন্ধকার কারাগারে আটকে রেখে। শুধু ধর্ষন নয় এর পাশাপাশি মরন ব্যাধি ক্যান্সারের বীজও তার শরীরে পুঁতে দিয়েছিল নরপশুরা।
.
.
অবশেষে বিদায় নিলেন একজন হাফেজা বিশ্বের একমাত্র নিউরো সাইন্টিস্ট ড: আফিয়া সিদ্দিকা।
.
ধিক্কার জানাই বিশ্ব মানবতাকে,ধিক বিশ্ব বিবেককে।আমরা কোন হেল্প করতে পারিনি এই মানুষটিকে অথচ আমরাই আবার বড় বড় লেকচার দিয়ে থাকি, রাজাকারের ফাসিঁ হলে মানবতা উপচে পরে। তখন আমেরিকা, মানবতা কর্মী এবং তুরস্কের মানবতা কোথায় ছিলো একটু বলবেন?
.
হে আল্লাহ তুমি তোমার পবিত্র কোরআনের বানী ধারনকৃত ড: আফিয়া সিদ্দিকাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান কর। আমিন....
.এই আফিয়া সিদ্দিকাই কিডন্যাপ হয়েছিল ২০০৩ সালে যার স্থায়িত্ব ছিল ২০০৮ সাল পর্যন্ত। পরবর্তীতে নিয়ে যাওয়া হয় আমেরিকান টর্চার সেলে এবং সেখানে তার উপড় চলে পাশবিক নির্যাতন,মানসিক নির্যাতন।.কোরআন শরীফের পাতা ছিড়ে মেঝেতে বিছিয়ে রেখে তাকে উলংগ করে বলা হত যাও কোরআনের উপর দিয়ে গিয়ে কাপড় নিয়ে আসো।.ঐ নরপশুরা তাকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালাতে শুরু করে,খেলায় মেতে ওঠে ঐ হায়েনার দলেরা। পালাক্রমে গনধর্ষনের স্বীকার হন এই কোরআনের হাফেজা,.নিউরো সাইন্টিস্ট ড:আফিয়া সিদ্দিকা। আমেরিকান আদালত তাকে ৮৬ বছরের সাজা ঘোষনা করে এক আমেরিকান সেনা হত্যা চেস্টার অপরাধে।.আদালতে বিচারক কিছু বলার আছে কিনা জানতে চাইলে ড:আফিয়া সিদ্দিকা বলেন..."আপনি তাদের ক্ষমতা দিয়েছেন আমাকে রেপ করার,উলঙ্গ করে সার্চ করার।আপনার কাছে কিছুই বলার নেই আমার,.আমি আমার আল্লাহর কাছে যেয়েই যা বলার বলব। আমিতো সেদিনই মরে গেছি যেদিন আমাকে প্রথম ধর্ষন করা হয়েছিল। আমাকে ছেড়ে দিন, আমাকে আমার দেশে যেতে দিন।".ড:আফিয়া সিদ্দিকার মূল অপরাধ ছিল তিনি একজন কোরআনের হাফেজা ছিলেন। এত উচ্চশিক্ষিত হয়েও কেন তিনি কোরআনের দিকে ঝুঁকে ছিলেন,কেন তিনি তাঁর বক্তব্যে কোরআনের রেফারেন্স টানতেন..?.কেন তিনি দ্বীনের পথে সামিল হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছিলেন..? এক বছর নয় দুই বছর নয়, ,,,,,.নয় নয়টি বছর তাকে একটানা ধর্ষন করা হয়েছিল ঐ অন্ধকার কারাগারে আটকে রেখে। শুধু ধর্ষন নয় এর পাশাপাশি মরন ব্যাধি ক্যান্সারের বীজও তার শরীরে পুঁতে দিয়েছিল নরপশুরা।..অবশেষে বিদায় নিলেন একজন হাফেজা বিশ্বের একমাত্র নিউরো সাইন্টিস্ট ড: আফিয়া সিদ্দিকা।.ধিক্কার জানাই বিশ্ব মানবতাকে,ধিক বিশ্ব বিবেককে।আমরা কোন হেল্প করতে পারিনি এই মানুষটিকে অথচ আমরাই আবার বড় বড় লেকচার দিয়ে থাকি, রাজাকারের ফাসিঁ হলে মানবতা উপচে পরে। তখন আমেরিকা, মানবতা কর্মী এবং তুরস্কের মানবতা কোথায় ছিলো একটু বলবেন?.হে আল্লাহ তুমি তোমার পবিত্র কোরআনের বানী ধারনকৃত ড: আফিয়া সিদ্দিকাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান কর। আমিন....



মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় সারাদেশে ৫৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৪৭।
এবার ঢাকা, কুমিল্লা ও যশোর বোর্ডে ৩টি করে, রাজশাহী, বরিশাল ও দিনাজপুর বোর্ডে ২টি করে এবং সিলেট বোর্ডের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে মাদ্রাসা বোর্ডের ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল করেছে।
বুধবার দুপুর ১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সারাদেশে ৫৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করেছে। কেন সব শিক্ষার্থী ফেল করল তা বিশ্লেষণ করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।
এবার ২৮ হাজার ১৬০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিকে অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৭৩৪টি স্কুল ও মাদ্রাসায় শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। গত বছর শতভাগ পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল ৫ হাজার ৯৫টি।
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার গড় পাসের হার ৮৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। সারা দেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬১ জন।