2016


চাঁদপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) সকালে জেলা পরিষদ হল রুমে ২০১৫ সালে উর্ত্তীণ জেলার মেধাবী ও দরিদ্র এবং মুক্তিযোদ্ধা পোষ্য ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে  শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে।
শিক্ষাবৃত্তি চেক প্রদানপূবৃ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদের  প্রশাসক মুক্তিযোদ্ধা লেঃ কর্নেল (অবঃ ) আবু ওসমান চৌধুরী বলেছেন,জেলা পরিষদ প্রতিবছর জেলার মেধাবী ও দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান করে থাকে। মেধাবী ও দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের সকল সময় জেলা পরিষদ মূল্যায়ন করবে। বৃত্তি প্রদান জেলা পরিষদের কার্যাবলীর একটি অংশ। এর অংশ হিসেবে এবারও ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবিষৎতে বৃত্তির টাকার পরিমান আরো বৃদ্ধি করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরো বলেন, যারা ভাল ফলাফল করবে জেলা পরিষদ তাদের দিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিবে।
তিনি সকল ছাত্র-ছাত্রীদের আরো ভাল ফলাফল করার জন্য অনুরোধ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ প্রসংগে তিনি বলেন,তোমাদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। তা আবার সবাইকে জানাতেও হবে। তাই তোমাদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তির বই পাঠদান করতে হবে।
অনুষ্ঠানের আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন,জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব )  আবদুল মান্নান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি বিএম হান্নান,সাধারণ সম্পাদক সোহেল রুশদী। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন,  জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন রাসেল।
বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মেধাবী শিক্ষার্থী মুনমুন। পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন,মাওঃ মনির হোসাইন। উল্লেখ্য,২০১৫ সালে উর্ত্তীণ জেলার  এসএসসি ও এইচ এস সি সমমান ১৩৯ জন কৃতি এবং দরিদ্র ও মুক্তিযোদ্ধা পোষ্য  ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ৬ লক্ষ ১১হাজার টাকার চেক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বই প্রদান করা হয়।

শাহরাস্তিতে এবারের এসএসসি পরীক্ষার পাশের হার সন্তোষজনক হয়েছে। উপজেলা ৩২ টি উচ্চ বিদ্যালয় হতে মোট ২ হাজার ৬ শত ২৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ২ হাজার ৩ শত ৭৬ জন পাস করেছে।
এতে ২শ ৫০ জন ফেল করেছে। পাশের হার শতকরা ৮৮.৬১ ভাগ। পরীক্ষায় মোট ৬৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছে। উপজেলা দেবকরা মারগুবা ডক্টর শহীদ উল্লাহ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সকলে পাস করেছে। পাসের হার শতভাগ। সর্বাধিক সূচীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
এছাড়া চেড়িয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ জন,দক্ষিণ সূচীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ জন, রাগৈ উচ্চ বিদ্যালয়েল৭জন, শাহরাস্তি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ জন ও নিজ মেহার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার দু’বারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ¦ আবদুল মান্নান খাঁন বাচ্চু’র প্রথম স্ত্রী জাহানারা বেগম (৭০) রোববার (৮ মে) সকাল ১১টায় ঢাকা পপুলার হাসপাতালে শেষ নিঃস্বাশ ত্যাগ করেন ।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জাহানারা বেগম দীর্ঘ দিন ধরে কিডনী জনিত রোগে ভুগছিলেন । মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, ১ ছেলে ও ১ মেয়েসহ অসংখ্যা গুনগ্রাহী রেখে গেছেন ।
রোববার বাদ মাগরিব খেয়াঘাট জামে মসজিদে প্রথম জানাযা,বাদ এশা হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে দ্বিতীয় জানাযা এবং মরহুমের স্বামীর নিজ বাড়ি রান্ধুনীমুড়া গ্রামের মসজিদে ৩য় জানাযা শেষে তাকে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয় । মরহুমার জানাযায় হাজীগঞ্জের বিশিষ্টজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সাবেক এ মেয়রের প্রথম স্ত্রী জাহানারা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উওম, সাবেক সাংসদ এম এ মতিন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আ. রশিদ মজুমদার, শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বর্তমান মেয়র আ.স.ম মাহবুব-উল-আলম লিপন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইঞ্জি. মমিনুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক গাজী মো. মাঈন উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সফল আহবায়ক ড. মো. আলমগীর কবির পাটওয়ারী ও শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ আহম্মেদ খসরু ।
এ সময় তারা মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

থানার ভুয়ার কাজ করেন, এতেই তিনি অনেক কিছু। থানা-পুলিশের দাপট খাটিয়ে নানা অপরাধ কর্মকা- করেই যাচ্ছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
জানা যায়, হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার বদরপুর কবিরাজ বাড়ীর রুহুল আমিনের স্ত্রী লিলু বেগম (৩৫) দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে থানার অফিসারদের ম্যাচে ভুয়া কাজ করে আসছেন। সে সুবাদে এলাকার সাধারণ মানুষের কোন একটি ঘটনা ঘটলেই মামলা কিংবা পুলিশের বড়াই দেখিয়ে নগদ অর্থ হাতিয়ে নিতেন বলে অভিযোগ উঠে।
এসব অনিয়ম করতে গিয়ে এলাকার গন্যমান্যদের কোন তয়াক্কা করতেন না ভুয়া লিলু বেগম।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, লিলু বেগমের ৩ ছেলে ২ মেয়ে রয়েছেন। স্বামী রুহুল আমিনের সাথে তার ভালো সম্পর্ক নেই। প্রায়ই সে তার স্বামীকে ধরে মারধর করে আসছে বলে জানায় এলাকাবাসী।
লিলু বেগমের কায়দায় পড়ে প্রতারিত হয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বদরপুর এলাকার এমন কয়েকজন ভূক্তভোগী এ প্রতিবেদকের কাছে বলেন, আমরা জানি সে থানার অফিসারদের ভাত পাক করেন। যে কারণে অফিসারদের সাথে তার একটা ভালো সম্পর্ক আছে। কিন্তু আমাদের এলাকায় যখন কোনো সমস্যা হয়,তখন লিলু বেগম নিজেই খবর শুনে উভয় পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে পুলিশের সহযোগিতার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেন।
বিশেষ করে মহিলাদের ঘরোয়া কোন ঝামেলা হলে তাদেরকে গিয়ে উৎসাহ দিতেন মামলা করার জন্য। সে এলাকায় সাধারণ মানুষের সামনে জাহির করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসতেন। তার আচরণে কেউ মুখ খুললে তাদেরকে তিনি হেনেস্থা করেন।
কিছু দিন আগে লিলু বেগমের ছেলে সবুজ এলাকায় মোবাইল চুরির অপরাধে জেল খেটে এসেছে।
দিনের পর দিন এলাকায় লিলু বেগম নিজেকে অনেক কিছু বলে জাহির করে আসতেন। তার এ অত্যাচারে সাধারণ মানুষ অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। তাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা থানার অফিসার ইনচার্জ বিষয়টি খোজ নিয়ে লিলু বেগমকে যেন সতর্ক হওয়ার নির্দ্দেশ দেন।
অভিযুক্ত লিলু বেগমের সাথে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো.শাহআলমের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জানামতে লিলু বেগম ভুয়ার কাজে ব্যস্ত থাকেন। তার পরেও যদি কারও সাথে কোন রকম প্রতারণা করে থাকে তাহলে বিষয়টি আমার কাছে অভিযোগ করার আহবান জানাই।

বুধবার প্রকাশিত ২০১৬ সালে এস এস সি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরিতে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪১৫ জন।
এর মধ্যে এসএসসি’তে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৭৬, দাখিলে ২৩ ও ভোকেশনালে ১৬ জন।
ঘোষিত ফলাফলে ৫২জন জিপিএ ৫ পেয়ে উপজেলায় শীর্ষ স্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। হাজীগঞ্জ মডেল পাইলট হাই স্কুল এন্ড কলেজ থেজে ৬৬ জন জিপিএ ৫ পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
এ+’
তথ্য অনুযায়ী, হাজীগঞ্জ উপজেলার ৩২টি বিদ্যালয়ের মধ্যে পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর ১৯৭ পরীক্ষার্থীর মধ্যে সবাই কৃতকার্য হয়েছে। এতে এ+’ ৫২ জন এ ১২৮, এ-’ ১৭ জন।
হাজীগঞ্জ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ থেকে ২৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২৬৬ জন। এতে এ+’ ৬৬, এ’ ১৭০, এ-’ ২৪, বি’ ৬ জন পেয়েছেন।
হাজীগঞ্জ আমিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৮১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে সবাই। এতে এ+’ ৩২, এ’ ১৩১, এ-’ ১৭, বি’ ১ জন পেয়েছেন।
ধড্ডা পপুলার উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে শতভাগ। এতে এ+’ ১৫, এ’ ৭৩, এ-’ ০৮, সি’ ১ জন পেয়েছেন।
বলাখাল জে এন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কারিগরি কলেজে ৮৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৮১ জন। এতে এ+’ ১৫, এ’ ৪২, এ-’ ২৩, বি’ ১ জন পেয়েছেন।
পেরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে শতভাগ। এতে এ+’ ১৮, এ’ ৪১, এ-’ ২ জন পেয়েছেন।
পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে সবাই। এতে এ+’ ১৩, এ’ ৭০, এ-’ ৪, বি’ ১ জন পেয়েছেন।
জগন্নাথপুর হাজী এরশাদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১৩৮ জন। এতে এ+’ ১৮, এ’ ৯১ , এ-’ ২২, বি’ ৭ জন পেয়েছেন।
টংগীর পাড় হাটিলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১১০ জন। এতে এ+’ ১৯, এ’ ৪৩, এ-’ ৩৯, বি’ ৯ জন পেয়েছেন।
দেশগাঁও জয়নাল আবেদীন উর্চ্চ বিদ্যালয়ে ১১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১০৬ জন। এতে এ+’ ০৭, এ’ ৫৪, এ-’ ৩২, বি’ ১০ ও সি’ ৩ জন পেয়েছেন।
নাসিরকোর্ট উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১২৪ জন। এতে এ+’ ০৪, এ’ ৪০, এ-’ ৪৯, বি’ ১৯ ও সি’ ১২ জন পেয়েছেন।
পীর বাদশা মিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২২ জন। এতে এ ৪,এ-৫,বি ১০ ও সি ১৩ জন পেয়েছেন।
পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১০৮ জন। এতে এ+’ ১১,এ ৫৪,এ-৩২,সি ২ ও ডি ৯ জন পেয়েছেন।
বাকিলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৬৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১৪১ জন। এতে এ ৬৩,এ-৪৩,বি ২৪ ও সি ১১ জন পেয়েছেন।
বোরখাল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২৬ জন। এতে এ ০৫,এ-১১,বি ১০ জন পেয়েছেন।
বলাখাল চন্দ্রবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯৫ জন। এতে এ+’ ০৫,এ ৩৭,এ-৩২,বি ১৭ ও সি ০৪ জন পেয়েছেন।
বেলচোঁ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৭১ জন। এতে এ+’ ০৩,এ ৩৯,এ-২০,বি ৭ ও সি ০২ জন পেয়েছেন।
বলিয়া উর্চ্চ বিদ্যালয়ে ১১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১০৯ জন। এতে এ+’ ০৭,এ ৭৩,এ-২৮,বি ০১ জন পেয়েছেন।
বড়কূল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৩৬ জন। এতে এ+’ ০৭,এ ১৫,এ-১৪ জন পেয়েছেন।
বড়কূল রামকানাই উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৭৩২ জন। এতে এ+’ ০৪,এ ৫২,এ- ১২,বি ৫ জন পেয়েছেন।
মেনাপুর বাদশা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯৩ জন। এতে এ+’ ০৩,এ ৪০,এ-৩৯,বি ১০ও সি ০১ জন পেয়েছেন।
মালিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৭৪ জন। এতে এ+’ ০৮,এ ৩২,এ-২৯,বি ৫ জন পেয়েছেন।
মৈশাইদ পল্লী মঙ্গল এ জি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১৮ জন। এতে এ+’ ০১,এ ০৯,এ-০৮ জন পেয়েছেন।
রাজারগাও উর্চ্চ বিদ্যালয়ে ১৯৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১৫৬ জন। এতে এ+’ ০৮,এ ৪৫,এ-৩৭,বি ৪৩ ও সি ২৩ জন পেয়েছেন। রান্ধনীমুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে শতভাগ পাশ করেছে। এতে এ+’ ০৫,এ ৪৯,এ-০৩ জন পেয়েছেন।
রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৪৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২১৭ জন। এতে এ+’৯, এ ৯০, এ-৭৮, বি ৩৬ ও সি পেয়েছে ৪জন।
রামচন্দ্রপুর ভূইয়া একাডেমী ৯৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯৪ জন। এতে এ+’ ৮, এ’ ৫৫, এ-’ ২৮ ও বি’ পেয়েছে ৩জন।
শ্রীপুরউচ্চ বিদ্যালয় ৫৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৫১ জন। এতে এ ১৮, এ-’২১ ও বি ৯ ও সি পেয়েছে ৩জন।
সপ্তগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৪১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৪১ জন। এতে এ+’৭, এ ৩৩, এ-’ পেয়েছে ০১ জন।
সুহিলপুর উচ্চ বিদ্যালয় ১১০জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১০৭ জন। এতে এ+’১৫, এ ৬০, এ-’ পেয়েছে ৩২ জন।
অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৫৭ জন। এতে এ+’ ৩, এ ৩৬, এ-’ ১৭, বি পেয়েছে ১ জন।
আল কাউসার স্কুল ৪৮জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৪৮ জন। এতে এ+’ ১৩, এ পেয়েছে ৩৫ জন।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ শ্রী শ্রী রাজা লক্ষ্মী নারায়ণ জিউড় আখড়ার গত কয়েক দিনের বিদ্যমান পরিস্থিতি অবশেষে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে এসেছে।
বর্তমান কমিটির একক স্বেচ্ছাচারিতায় আগামী ১৪ মে শনিবার নতুন কার্যকরী কমিটির সভা ও অভিনব কায়দায় অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন অবশেষে চাঁদপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.আশ্রাফুজ্জামানের হস্তক্ষেপে স্থগিত করা হয়।
পরবর্তীতে হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম উভয় পক্ষের ৩ জন করে ৬ জনকে নিয়ে বিদ্যমান পরিস্থিতি সমাধানে একমত হয়েছেন।
ওই বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী ৪ মাসের মধ্যে হালনাগাদ ভোটার তালিকা সম্পূর্ণ করে জিউড় আখড়ার বিগত সময়ের আয় ব্যয়ের খসড়া অনুমোদনসহ নানা জটিলতা নিরসনে কাজ করে যাওয়া সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সমজোতার ভিত্তিতে নতুন রেজুলেশন অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার অফিসার ইনচার্জ কার্যালয়ে পুনরায় বৈঠক বসার কথা রয়েছে।
শনিবারের অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন স্থিগিত হওয়ায় আন্দোলনরত এক পক্ষের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তারা আশা করেন জিউড় আখড়ার বিদ্যমান পরিস্থিতি সমাধান করে হাজীগঞ্জ উপজেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐক্যের ধারা ফিরে আসবে বলে বিশ্বাস করেন।
এ জন্য আবারও প্রশাসন সহ সর্বস্তরের হি›দ্রু সম্প্রদায়ের নীতি নির্ধারকদের বিদ্যমান পরিস্থিতি সমাধানে সহযোগিতার জন্য জিউড় আখড়ার সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রবীন কুমার ফটিকসাহা ধন্যবাদ জানান।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম বলেন, জিউড় আখড়া দুই পক্ষের লোকদের নিয়ে ইতিমধ্যে আমাদের প্রশাসন থেকে সর্বস্তর সহযোগিতা আশ্বাসে বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টায় অব্যাহত আছি।


চাঁদপুরের কচুয়া-সাচার-গৌরীপুর সড়কটি ক্ষত বিক্ষত হয়ে এখন মরন ফাঁদে পরিনত হয়ে যানবাহন চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ ১ বছর যাবৎ রাস্তাটির এ করুন অবস্থায় চলাচলকারী হাজার হাজার জনগণ গৃহবন্ধী হয়ে পড়েছে। রোগী নিয়ে ঢাকা বা কোথাও চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাবে এমন কোন পরিবেশ রাস্তায় নেই। বরং রাস্তা দিয়ে রোগী নিয়ে রওয়ানা হলে রোগীর হাড়গোড় ভেংগে পথেই মারা যাবে। ডেলিভারী সংক্রান্ত কোন রোগী চিকিৎসার জন্য কোথাও নিবে তো দূরের কথা নেয়ার বিষয়টি কল্পনা করাই যাবেনা। তারপরও নিয়ে রওয়ানা হলে ঐ রোগীর পথেই ডেলিভারী হয়ে যাবে অথবা মারা যাবে।
রাস্তাটির এই বেহাল দশায় পরিনত হলেও সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্তৃপক্ষের কোন নজরে পড়েনি। রাস্তা দিয়ে বাস,সিএনজি মাইক্রোবাসসহ মালবাহী ট্রাক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে প্রায়ই দূর্ঘটনার শিকার হয়। গাড়ির এক্সেলসহ নানান যন্ত্রাংশ ভেংগে রাস্তার ওপর ঘন্টার পর ঘন্টা পড়ে থাকতে দেখা যায়। তারপরও মানুষ বিশেষ প্রয়োজনে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই এ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হয়।
জানাযায়, বিগত দিনে সড়কটির সংস্কার কাজে দায়িত্বরত ঠিকাদার সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে ঘষামাজা কাজের কারনে রাস্তার কাজ করার ১ সপ্তাহ পড়ে রাস্তা ভাংগা শুরু হয়। যার ফলে জনগনের ভোগান্তিও শুরু হয়। সরকারীভাবে সড়কটি সংস্কার কাজে কোটি কোটি টাকা বরাদ্ধ হলেও ঠিকাদারের ঘষামাজা কাজের জন্য যেমনি জসগণ ভোগান্তির শিকার হয়। অপরদিকে সরকারেরও দূর্নাম হয়। সড়কটি যথাযথ তদারকির মাধ্যমে সিডিউল মোতাবেক সংস্কার করার জন্য সাবকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর এমপিসহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

চাঁদপুর শাহরাস্তি উপজেলার মেহার-ডল্টা এবং মেহার-লোটরা সড়কের বেহাল অবস্থা।


Nfc Club বার্তা নিউজ :

চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা খাও দাও ঘুমাও, কাজের এই নিয়মে পরিনত হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগাধীন শাহরাস্তি উপজেলার মেহার-ডল্টা সড়কের শাহরাস্তি গেইট (দোয়াভাঙ্গা) হতে পৌরসভা সদর ঠাকুর বাজার মহামায়া গাছ তল, মডেল স্কুল, হাসপতাল গেইট, মেহার কালিবাড়ির অগ্রণী ব্যাংক এলাকা হতে উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত।



চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে শবে বরাতে ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে । চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত মতে, ২২ মে শবে বরাত।
বাদ আছর থেকে সারা রাত ব্যাপি শবে বরাতের গুরুত্ব ও ফজিলত সর্ম্পকে বিস্তারিত আলোচনা করবেন বিশিষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান ,আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা রফিক আহমাদ ও মাওলানা কামালউদ্দীন আব্বাসী।
সভাপতিত্ব করবেন হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের খতিব আরহাজ¦ হাফেজ মাওলানা মুফতি মো.আব্দুর রউফ। ওয়াজ শেষে দেশ ও মানবজাতির কল্যাণে বিশেষ ভাবে দোয়া পরিচালিত হবে।
চাঁদপুর শহরতলী ওয়াপদা গেইট এলাকায় আবারো সড়ক দুর্ঘটনায় দু’সিএনজি স্কুটারের ৭ যাত্রী গুরতর আহত হয়েছে। রোববার (১৫ মে) দুপুরে ওয়াপদা গেইট এলাকার ৫৬ নং খলিসাডুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন ১২ নং চান্দ্রা ই্উনিয়নের দক্ষিন বালিয়া গ্রামের সৈয়দ গাজী (৬০), তার দু মেয়ে সুরভী আক্তার (২২), সোনিয়া আক্তার (২০),১০ নং লক্ষীপুর মডেল ইউনিয়নের মিজানুর রহমানের পুত্র মোহাম্মদ হোসেন খান (২২), ও আনিছ আহমেদ (১৮), চাদপুর সদরের আমনউল্লাহ পুরের মৃত বাকের আলীর পুত্র জাকির হোসেন (৪৮)এবং বহরিয়া গ্রামের শামসু শেখের পুত্র সিএনজি স্কুটার চালক ইসমাইল হোসেন (৩০)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় চাঁদপুর থ ১১-৬৫৯৩ নং সিএনজি স্কুটারটি যাত্রী নিয়ে বাবুরহাটের দিকে যাচ্ছিলো। স্কুটারটি স্কুলের ওই স্থানে পৌঁছলে হঠাৎ একটি শিশু রাস্তার একপাশ থেকে অপর পাশে দৌড় দেয়। তখন স্কুটার চালক শিশুটিকে বাঁচানোর চেষ্টায় গাড়িটি ব্রেক করতে গিয়ে গাড়িটি রাস্তার রং সাইডে চলে যায়। ওই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা অন্য সিএনজি স্কুটারের সাথে পাশাপাশি সংঘর্ষ বাধে। এতে করে রাস্তা পার হওয়া ওই শিশুসহ দু স্কুটারে থাকা ৭ জন যাত্রী গুরতর আহত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চাদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে এদের মধ্যে স্কুটার চালক ইসমাইল হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

চাঁদপুরে চা দোকান কর্মচারী রুবেল বেপারী হত্যা মামলায় মো. ওমর খান (৩০) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে আদালত। রোববার (২২ মে) দুপুরে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশিদ এই রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত ওমর খান চাঁদপুর সদর উপজেলার খলিশাডুলী এলাকার সিরাজ খানের ছেলে। ওমরকে যাবজ্জীবন কারাদ- ছাড়াও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নিহত রুবেল বেপারী চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজার রামদাসদী এলাকার মো. সিরাজ বেপারীর ছেলে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২০০৭ সালের ২৩ জুন দুপুরের দিকে শহরতলীর খলিসাডুলী হাজী সুপার মার্কেটের দুদু খানের দোকানের কর্মচারী রুবেল বেপারীর কাছে চা-সিঙ্গারা বাকি চায় ওমর খান। রুবেল বাকি দিতে অস্বীকার করলে ওমর তাকে দোকানে থাকা ছোরা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।
এ ঘটনায় দোকান মালিক দুদু খান চাঁদপুর মডেল থানায় ওমর খানকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে এবং আসামিকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
মামলার প্রেক্ষিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁদপুর মডেল থানর উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুনীল কুমার সেন ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
সরকার পক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডঃ মো. সাইয়েদুল ইসলাম বাবু চাঁদপুর টাইমসকে জানান, প্রায় ৯ বছর মামলাটি আদালতে চলমান থাকার পর ১১ জনের সাক্ষী নেয়া হয়েছে। এতে দ-বিধি ৩০২ ধারায় আনিত অভিযোগ সন্দেহাতীত ও সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
ফলে ওমর খানকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও এক লাখ টাকা সমপরিমাণ অর্থদ- দেয়া হয়। বিচারক আসামির পরিবারের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা আদায় করে নিহতের পরিবারকে বুঝিয়ে দিতে নির্দেশ প্রদান করেন।
আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন (স্ট্রেট ডিফেন্স ল’ইয়ার) অ্যাডভোকেট রোমানা আফরোজ।
no image
হাজীগঞ্জ পৌর এলাকা ও সদর ইউনিয়নে চারদিনের মাথায় সংঘটিত দুটি হত্যাকান্ডে জনমনে ভীতির সঞ্চার হয়েছে। সোমবার (১৬ মে) ডাকাতিয়া নদী থেকে হিন্দু এক ব্যক্তির লাশ এবং বৃহস্পতিবার (১৯ মে) ডোবা থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘাতকরা দুটি হত্যাকান্ডই সন্তর্পণে সংঘটিত করে নির্বিঘœ নিরাপদ অবস্থানে চলে যেতে সক্ষম হয়। দুটি হত্যাকান্ডে ঘাতকরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে এবং লাশ জলাশয়ে ফেলে দেয়। দুটি হত্যার ধরণ প্রায় একই হওয়ায় পর্যবেক্ষক মহলে প্রশ্ন জেগেছে, তাহলে হাজীগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে ভাড়াটিয়া খুনিদের দ্বারা হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে?

    হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ গত সোমবার সদর ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামের নিজ বাড়ির পাশের ডাকাতিয়া নদী থেকে ননী গোপালের ছেলে নিখিলের লাশ উদ্ধার করে। আর বৃহস্পতিবার বিকেলে হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর পাশে ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন নিজ বাড়ির পাশের ডোবা থেকে পুলিশ উদ্ধার করে মোবাশ্বেরা বেগম (৫০)-এর লাশ। এই মোবাশ্বেরা হাজীগঞ্জ বাজারের বহুল পরিচিত হোমিও চিকিৎসক আবুল কাশেমের স্ত্রী। তিনি ছিলেন ১ পুত্র ও ৩ কন্যার জননী। অপরদিকে হত্যাকান্ডের শিকার অলিপুর গ্রামের নিখিল চন্দ্র (৪২) ছিলেন ১ পুত্র ও ১ কন্যার জনক।

    হাজীগঞ্জের এ দুটি হত্যাকান্ডে এলাকার লোকজন ভীষণ মর্মাহত। নিখিলের হত্যাকান্ডকে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের বলে ধারণা করা হলেও মোবাশ্বেরা হত্যাকান্ড কী কারণে সংঘটিত হলো তা আপাতত জানা যায় নি। তবে স্বামী-সন্তানদের অবর্তমানে বাড়িতে একাকী পেয়ে খুনিরা মোবাশ্বেরাকে দিনে-দুপুরে নির্বিঘেœ হত্যা করতে সক্ষম হয়েছে বলে ধারণা করা যায়।

    আসলে কোনো হত্যাকান্ডই কোনো পরিবার এবং এলাকার জন্যে সুখকর নয়, অনেক বেদনাদায়ক। একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হলেই অকুস্থলের মানুষ উদ্বিগ্ন হয়, অনেকেই মানসিক যাতনায় ভোগে। সে হত্যাকান্ডের রহস্য যদি উন্মোচন করা না যায় এবং খুনিরা যদি ধরা না পড়ে তাহলে জনমনে হতাশা ও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। আর খুনের পরিকল্পনাকারী ও খুনিরা উৎসাহ বোধ করে। হাজীগঞ্জে ৪ দিনের ব্যবধানে পর পর দুটি হত্যাকান্ডে সেখানকার পরিস্থিতি যে কী রকম হতে পারে তা প্রাগুক্ত বিবরণের আলোকে সহজেই অনুমান করা যায়।

    আমাদের বিশ্বাস, হাজীগঞ্জ থানার পুলিশ দুটি হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচনে খুবই আন্তরিক হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনমনে সৃষ্ট ভীতি, হতাশা, অস্থিরতা ইত্যাদি দূরীকরণে সক্ষম হবে। 
চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ২য় সেমি-ফাইনাল খেলায় টাইব্রেকারে হাইমচর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে চাঁদপুর সদর উপজেলা দল। আগামী রোববার বিকেল ৩টায় চাঁদপুর সদর ও কচুয়া উপজেলা দলের মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।




গতকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত খেলায় দু দলই আক্রমণ পাল্টা আক্রমণের মধ্যে খেলা শুরু করে। দু দলই গোল দেয়ার জন্যে মরিয়া হয়ে উঠে। কিন্তু সদর উপজেলা দলের খেলোয়াড়রা বেশ ক'বার বেশ কটি গোল করার সুযোগ মিস করে। শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টের ২য় সেমি-ফাইনাল খেলাটি গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেও দেখা যায় সদর উপজেলা দলের খেলোয়াড়দের ব্যর্থতা। একমাত্র সদরের গোলকিপার ও স্টপার তুহিনের কৌশলের কারণে শেষ পর্যন্ত ১৬তম জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠলো চাঁদপুর সদর উপজেলা দল।


গতকালকের খেলায় অংশ নেয়া দু' দলের খেলোয়াড়রা হলেন : হাইমচর উপজেলা দল : মিলন, শিপন, রিপন, শাহ আলম, শাকিল, আল সিয়াম, জুয়েল, মিলন, এমরান, আল-আমিন, মধুসূদন। বদলি খেলোয়াড় : আবুল কালাম, রহমান, মিলাদ, সোহাগ, মেহেদী হাসান ও মামুন।


চাঁদপুর সদর উপজেলা দল : কামাল, মিল্টন, তুহিন, রাজা, সোহেল, লাবু, আব্বাস, জয়নাল, বিষ্ণু, মোহাম্মদ উল্যাহ সুমন, জহির। বদলি খেলোয়াড় : সরোয়ার, রিপন, সুমন, রুহুল আমিন, মাইনুদ্দিন, মেহেদী হাসান ও হাবিব।


খেলা পরিচালনা করেন রেফারী নজরুল ইসলাম মিন্টু। সহকারী রেফারী সেলিম আহমেদ টুমু, মাসুদুর রহমান মাসুম ও তরুণ দে।
চাঁদপুর ২শ’ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের অবহেলায় ঢাকায় রেফার করা আশঙ্কাজনক রোগীরা বিপাকে।

চাঁদপুর শহর এবং শহরতলীর ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীদের কোনো কাজের আসছে অলস পড়ে থাকার সরকারি দুটি অ্যাম্বুলেন্স। চলাচলের উপযোগী হলেও চালকদের অবহেলাকে দায়ী করছেন রোগীরা।
এ ধরণের একটি অভিযোগ পাওয়া যায়, গত ৩০ মে সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের হৃদরোগ আক্রান্ত মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলামের পরিবারের কাছে।
ওই পরিবারের সদস্যরা জানান, ৩০ মে বিকেলে মুক্তিযুদ্ধা মফিজুল ইসলাম হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পড়লে তারা তাকে চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশংঙ্কাজনক দেখে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার জন্য পরামর্শ দেন।
ডাক্তারের পরামর্শ পরিবারের লোকজন মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলামকে তাৎক্ষনিক ঢাকায় নেওয়ার জন্য হাসপাতালের দু’টি অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে একটির চালক মনির আহমেদ একাদিক বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি কিংবা তার ফোনে কে বা কারা ফোন দিলো সেটি তিনি জানার প্রয়োজন মনে করেননি।
এমনকি হাসপাতালের আরএমও ডা. মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন এ্যাম্বুলেন্স চালকদেরকে রোগীকে ঢাকা নেয়ার বিষয়ে অবগত করলেও তারা তাতেও কোন গুরুত্ব দেয়নি।
তখন স্বজনরা ব্যার্থ হয়ে অপর চালক মফিজ মিয়াকে ফোন দিলে তিনি এ্যাম্বুলেন্সের হর্ণ নষ্ট বলে এড়িয়ে যান। পরে তারা সরকারি এ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে নিরুপায় হয়ে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে রোগীকে ঢাকায় নিয়ে যান।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের তত্ত্াবধায়ক ডা. প্রদীপ কুমার দত্ত বলেন,“গত ৩০ তারিখে চালকদের এমন ঘটনার কথা আমার জানা নেই। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। আমাদের হাসাপাতালে দু’টি অ্যাম্বুলেন্স ও তার সাথের দু’জন চালকও রয়েছে। তার পরেও যদি তাদের গাফলতির কারনে রোগীদের এমন বিপাকে পড়তে হয় তাহলে’তো সেটি দু:খজনক।’
এ’বিষয়ে এ্যাম্বুলেন্স চালক মনির আহমেদের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
অপর চালক মফিজ মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘সেদিন তারা (উল্লেখিত রোগীর পরিবার) আমাকে ফোন দেওয়ার পর আমি হাসপাতালে গিয়ে তাদের সাথে কথা বলেছি। তারা এ্যাম্বুলেন্স যোগে রোগীকে ঢাকা নেওয়ার কথা বললে এ্যাম্বুলেন্সের হরণের সমস্যার কথা জানাই। এ’ছাড়াও তখন মনির আহমেদের ডিউটি ছিলো, আমার নয়।’
চাঁদপুরের হাট-বাজারে বিভিন্ন খাদ্য পণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। রোজার মাসকে সামনে রেখে মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়া এখন যেনো রেওয়াজে পরিণত হয়েছে।



প্রশাসনের সঠিক বাজার মনিটরিং না থাকায় জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকছে না বলে অভিযোগ ক্রেতা সাধারণের। এক সপ্তাহ যাবৎ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্যের বাজার অস্থিতিশীল। কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা থেকে ৫০ টাকা। সরজমিনে শহর এলাকার কয়েকটি মুদি দোকান ঘুরে জানা যায়, চিনি, চনাবুট, মশুরি, খেসারী, বেসন, মটরডাল, চনাবুটের ডাল, রসুন, ভোজ্য তেল, পোলাও চাল, মুড়ি, চিড়া এসব পণ্যের দাম অনেক বেড়ে গেছে।


৪৮ টাকার চিনি এখন বিক্রি হচ্ছে ৬২ থেকে ৬৫ টাকায়। ৫৬ টাকা কেজির চনাবুট ৯০ টাকা। এ দু'টি পণ্যে কেজিতে বেড়েছে ১৫ টাকা থেকে ৩৪ টাকা।


এছাড়া ৪৮ টাকার খেসারি ডাল ৭৫ টাকা, ৬০ টাকার বেসন ৮০ টাকা, দেশি মশুরি ডাল ১১০ টাকার টা হয়েছে ১৫০ টাকা, ৮০ টাকা কেজির বিদেশি মশুর ডাল ১১২ টাকা, চায়না ১০০ টাকা, রসুন ২৩০ টাকা, দেশি ৬০২ টাকার রসুন ১২০ টাকা। ৭০ টাকার পোলাও চাল বেড়ে ১১০ টাক হয়েছে। ৩৮ টাকার সাদা মটর ১০ টাকা বাড়িয়ে এখন ৪৮ টাকা, ৪২ টাকার মটর ডাল ৫০ টাকা ও ৬০ টাকার চনাবুটের ডাল ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাম, কোয়ালিটিসহ সয়াবিন ভোজ্য তেলও এখন আগের দাম নেই। ব্যারেলে ভোজ্য তেল বাড়ানো হয়েছে। পেঁয়াজ ২০ টাকা শুধু স্থিতিশীল রয়েছে।


বিভিন্ন পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো বাজারে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। আয়ের সাথে ব্যয় মিল রাখতে পারছে না। ইফতার পণ্য মুড়ি চিড়ার দামও বাড়ানো হয়েছে। পুরাণবাজারের পাইকারী পণ্য বিক্রির প্রতিষ্ঠান দয়াময় ভা-ার, বসু পোদ্দার, ত্রিনাথ ভা-ার, শুকতারা, স্বস্তি ভা-ার, মানিক পাল, নিউ ত্রিনাথ ভা-ার, সুভাষ পোদ্দার, জাহাঙ্গীর হাজী এসব মুদিদোকানে ডাল পণ্যসহ অন্যান্য পণ্য বিক্রি হরা হয়।


এছাড়া কার্তিক সাহা, সহদেব সাহা, হাজী এন্টারপ্রাইজ, বেঙ্গল ট্রেড্রিসহ আরো পাইকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।


খুচরা মুদি দোকানীরা জানান, যারা পাইকারি খুচরা বিক্রি করেন তাদরে কাছে প্রচুর মাল থাকা সত্ত্বেও কৃত্রিম সঙ্কট দেখায়। প্রশাসনের বাজার মনিটরিং থাকলো বাজার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। দরিদ্র্য পরিবারগুলো স্বস্থি পাবে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রামেরর মোকামের উপর নির্ভর করে চাঁদপুরের ব্যবসায়ীরা পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করে থাকেন। সীমিত লাভে তারা মোকাম থেকে আমদানি করা পণ্য বিক্রি করেন। দাম বাড়িয়ে বিক্রিতে তাদের হাত নেই।


শাহরাস্তি উপজেলার চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের খেড়িহর গ্রামের তেলিয়া বাড়ির সেফটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া ৩ সন্তানের জননী রুমু বেগমের লাশ গতকাল সোমবার দাফন করা হয়েছে। গত ৭ মে দুপুরে রুমু বেগমকে খুন করে লাশ বাড়ির সেফটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়া হয়। ঘটনার পর থেকে রুমু বেগমের স্বামী পলাতক রয়েছে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, ৭ মে বেলা দেড়টায় রুমু বেগমের কন্যা মারজান (৪) তার মায়ের মৃতদেহ সেফটিক ট্র্যাংকের ভেতরে দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার করে। এরপর বাড়ির লোকজন এসে লাশটি উদ্ধার করে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরদিন ৮ মে পুলিশ লাশটি ময়না তদন্তের জন্যে চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করে। ময়না তদন্ত শেষে গতকাল তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। ঘটনার পর থেকে রুমু বেগমের স্বামী জামাল হোসেন পলাতক রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, রুমু বেগমকে মেরে লাশ সেফটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়েছে। এ হত্যার জন্যে রুমুর স্বামীকে দায়ী করেছে পরিবারের সদস্যরা।

এ ব্যাপারে রুমু বেগমের ভাই মিন্টু বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহরাস্তি থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ কামাল উদ্দিন জানান, ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। তার স্বামী জামাল হোসেন পলাতক রয়েছে I


এই সেই আফিয়া সিদ্দিকাযিনি ছিলেন নিউরো সাইন্টিস্ট, যিনি ছিলেন একজন পি.এইচ.ডি. হোল্ডার এবং যিনি ছিলেন একজন কোরআনের হাফেজা যার বুকে ধারন করেছিলেন পবিত্র কোরআনের ৩০ টি পারা।
.
এই আফিয়া সিদ্দিকাই কিডন্যাপ হয়েছিল ২০০৩ সালে যার স্থায়িত্ব ছিল ২০০৮ সাল পর্যন্ত। পরবর্তীতে নিয়ে যাওয়া হয় আমেরিকান টর্চার সেলে এবং সেখানে তার উপড় চলে পাশবিক নির্যাতন,মানসিক নির্যাতন।
.
কোরআন শরীফের পাতা ছিড়ে মেঝেতে বিছিয়ে রেখে তাকে উলংগ করে বলা হত যাও কোরআনের উপর দিয়ে গিয়ে কাপড় নিয়ে আসো।
.
ঐ নরপশুরা তাকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালাতে শুরু করে,খেলায় মেতে ওঠে ঐ হায়েনার দলেরা। পালাক্রমে গনধর্ষনের স্বীকার হন এই কোরআনের হাফেজা,
.
নিউরো সাইন্টিস্ট ড:আফিয়া সিদ্দিকা। আমেরিকান আদালত তাকে ৮৬ বছরের সাজা ঘোষনা করে এক আমেরিকান সেনা হত্যা চেস্টার অপরাধে।
.
আদালতে বিচারক কিছু বলার আছে কিনা জানতে চাইলে ড:আফিয়া সিদ্দিকা বলেন...
"আপনি তাদের ক্ষমতা দিয়েছেন আমাকে রেপ করার,উলঙ্গ করে সার্চ করার।আপনার কাছে কিছুই বলার নেই আমার,
.
আমি আমার আল্লাহর কাছে যেয়েই যা বলার বলব। আমিতো সেদিনই মরে গেছি যেদিন আমাকে প্রথম ধর্ষন করা হয়েছিল। আমাকে ছেড়ে দিন, আমাকে আমার দেশে যেতে দিন।"
.
ড:আফিয়া সিদ্দিকার মূল অপরাধ ছিল তিনি একজন কোরআনের হাফেজা ছিলেন। এত উচ্চশিক্ষিত হয়েও কেন তিনি কোরআনের দিকে ঝুঁকে ছিলেন,কেন তিনি তাঁর বক্তব্যে কোরআনের রেফারেন্স টানতেন..?
.
কেন তিনি দ্বীনের পথে সামিল হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছিলেন..? এক বছর নয় দুই বছর নয়, ,,,,,
.
নয় নয়টি বছর তাকে একটানা ধর্ষন করা হয়েছিল ঐ অন্ধকার কারাগারে আটকে রেখে। শুধু ধর্ষন নয় এর পাশাপাশি মরন ব্যাধি ক্যান্সারের বীজও তার শরীরে পুঁতে দিয়েছিল নরপশুরা।
.
.
অবশেষে বিদায় নিলেন একজন হাফেজা বিশ্বের একমাত্র নিউরো সাইন্টিস্ট ড: আফিয়া সিদ্দিকা।
.
ধিক্কার জানাই বিশ্ব মানবতাকে,ধিক বিশ্ব বিবেককে।আমরা কোন হেল্প করতে পারিনি এই মানুষটিকে অথচ আমরাই আবার বড় বড় লেকচার দিয়ে থাকি, রাজাকারের ফাসিঁ হলে মানবতা উপচে পরে। তখন আমেরিকা, মানবতা কর্মী এবং তুরস্কের মানবতা কোথায় ছিলো একটু বলবেন?
.
হে আল্লাহ তুমি তোমার পবিত্র কোরআনের বানী ধারনকৃত ড: আফিয়া সিদ্দিকাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান কর। আমিন....
.এই আফিয়া সিদ্দিকাই কিডন্যাপ হয়েছিল ২০০৩ সালে যার স্থায়িত্ব ছিল ২০০৮ সাল পর্যন্ত। পরবর্তীতে নিয়ে যাওয়া হয় আমেরিকান টর্চার সেলে এবং সেখানে তার উপড় চলে পাশবিক নির্যাতন,মানসিক নির্যাতন।.কোরআন শরীফের পাতা ছিড়ে মেঝেতে বিছিয়ে রেখে তাকে উলংগ করে বলা হত যাও কোরআনের উপর দিয়ে গিয়ে কাপড় নিয়ে আসো।.ঐ নরপশুরা তাকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালাতে শুরু করে,খেলায় মেতে ওঠে ঐ হায়েনার দলেরা। পালাক্রমে গনধর্ষনের স্বীকার হন এই কোরআনের হাফেজা,.নিউরো সাইন্টিস্ট ড:আফিয়া সিদ্দিকা। আমেরিকান আদালত তাকে ৮৬ বছরের সাজা ঘোষনা করে এক আমেরিকান সেনা হত্যা চেস্টার অপরাধে।.আদালতে বিচারক কিছু বলার আছে কিনা জানতে চাইলে ড:আফিয়া সিদ্দিকা বলেন..."আপনি তাদের ক্ষমতা দিয়েছেন আমাকে রেপ করার,উলঙ্গ করে সার্চ করার।আপনার কাছে কিছুই বলার নেই আমার,.আমি আমার আল্লাহর কাছে যেয়েই যা বলার বলব। আমিতো সেদিনই মরে গেছি যেদিন আমাকে প্রথম ধর্ষন করা হয়েছিল। আমাকে ছেড়ে দিন, আমাকে আমার দেশে যেতে দিন।".ড:আফিয়া সিদ্দিকার মূল অপরাধ ছিল তিনি একজন কোরআনের হাফেজা ছিলেন। এত উচ্চশিক্ষিত হয়েও কেন তিনি কোরআনের দিকে ঝুঁকে ছিলেন,কেন তিনি তাঁর বক্তব্যে কোরআনের রেফারেন্স টানতেন..?.কেন তিনি দ্বীনের পথে সামিল হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছিলেন..? এক বছর নয় দুই বছর নয়, ,,,,,.নয় নয়টি বছর তাকে একটানা ধর্ষন করা হয়েছিল ঐ অন্ধকার কারাগারে আটকে রেখে। শুধু ধর্ষন নয় এর পাশাপাশি মরন ব্যাধি ক্যান্সারের বীজও তার শরীরে পুঁতে দিয়েছিল নরপশুরা।..অবশেষে বিদায় নিলেন একজন হাফেজা বিশ্বের একমাত্র নিউরো সাইন্টিস্ট ড: আফিয়া সিদ্দিকা।.ধিক্কার জানাই বিশ্ব মানবতাকে,ধিক বিশ্ব বিবেককে।আমরা কোন হেল্প করতে পারিনি এই মানুষটিকে অথচ আমরাই আবার বড় বড় লেকচার দিয়ে থাকি, রাজাকারের ফাসিঁ হলে মানবতা উপচে পরে। তখন আমেরিকা, মানবতা কর্মী এবং তুরস্কের মানবতা কোথায় ছিলো একটু বলবেন?.হে আল্লাহ তুমি তোমার পবিত্র কোরআনের বানী ধারনকৃত ড: আফিয়া সিদ্দিকাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান কর। আমিন....

শাহরাস্তিতে এবারের দাখিল পরীক্ষায় উপজেলার ২০ টি মাদ্রাসা থেকে ৬ শত ৪৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এতে ৫ শত ৫৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। অকৃতকার্য হয়েছে ৯০ জন শিক্ষার্থী । পাশের হার শতকরা ৮৬.০৯ ভাগ। এ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন শিক্ষার্থী ।
 রাগৈ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সকলেই কৃতকার্য হয়। পাশের হার শতভাগ। এছাড়া আহম্মদ নগর আব্দুল আজিজ আলিম মাদ্রাসা থেকে ২১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সকলেই কৃতকার্য হয়। পাশের হার শতভাগ। সর্বাধিক জিপিএ-৫ পেয়েছে কাকৈরতলা গোলাম কিবরিয়া দাখিল মাদ্রাসার ৩ শিক্ষার্থী । এছাড়া শাহরাস্তি চিশতীয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ২ জন, রাগৈ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা ১ জন, গাউছিয়া হাশেমিয়া সেকান্দর আলী সুন্নিয়া ফাযিল মাদ্রাসা থেকে ১ জন,ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসা থেকে ১ জন ও সিরাজ উদ্দিন মহিলা মাদ্রাসা থেকে ১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

গতকাল ১১ মে বেলা ৩ টায় শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানদের সাথে মত বিনিময় করেন, জেলা প্রসাশক আব্দুস সবুর মন্ডল । এসময় তিনি শিক্ষকদের উদ্দ্যেশে বলেন , বাচ্চাদের ভালো মন্দের দায় দায়িত্ব শিক্ষকদের নিতে হবে। আপনারা কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।আপনারা অসম্মান যাতে না হন সে ব্যবস্থা করবেন। আমরা দেখতে চাই কর্ম পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কিনা । কাজের অগ্রগতির বিবরণ দিতে হবে।৫০ ভাগ জিপিএ-৫ পেতে হবে। ২২ জুনের মধ্যে শতভাগ কাব দল গঠন করতে হবে।
শাহরাস্তি ভালো উপজেলা , শিক্ষার হার ও ভালো ,আমি বিশ্বাস করি আপনারা ভালো করবেন। কর্ম পরিকল্পনায় ভালো শিক্ষকদের পুরস্কৃত করা হবে। এ পুরস্কার পদন্নতির জন্য ভূমিকা রাখবে।উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাহেলা বেগমের সভাপতিত্বে সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)মোহাম্মদ আব্দুল হাই ,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন মিয়াজী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সামিউল মাসুদ,জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আক্তারুজ্জামান,সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছাঃ জেসমিন আকতার বানু । অন্যানের মাঝে উপস্থিত ছিলেন শাহরাসিত প্রেস ক্লাব সভাপতি কাজী হুমায়ন কবির, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা খাজা মাঈনুদ্দিন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ আব্দুর রব , সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।



মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় সারাদেশে ৫৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৪৭।
এবার ঢাকা, কুমিল্লা ও যশোর বোর্ডে ৩টি করে, রাজশাহী, বরিশাল ও দিনাজপুর বোর্ডে ২টি করে এবং সিলেট বোর্ডের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে মাদ্রাসা বোর্ডের ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল করেছে।
বুধবার দুপুর ১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সারাদেশে ৫৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করেছে। কেন সব শিক্ষার্থী ফেল করল তা বিশ্লেষণ করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।
এবার ২৮ হাজার ১৬০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিকে অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৭৩৪টি স্কুল ও মাদ্রাসায় শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। গত বছর শতভাগ পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল ৫ হাজার ৯৫টি।
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার গড় পাসের হার ৮৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। সারা দেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬১ জন।

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার প্রাক্তন সহকারী শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ আবদুর রব মোল্লা (৬২) বৃহস্পতিবার রাত ১১ টায় তাঁর নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না….রাজিউন)। শুক্রবার জানাযা শেষে তাকে পরিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
মৃত্যুকালে তিনি , স্ত্রী , ২ মেয়ে , ২ ছেলে সহ আত্মীয় স্বজন অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে যান। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০ টায় নাওড়া ঈদগা মাঠে নামাজের জানাজা শেষে তাঁর লাশ পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
সাংবাদিক মো. মাহবুব আলমের উপস্থাপনায় জানাজা পূর্ব সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন , শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন মিয়াজী, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাওঃ আবুল হোসাইন, ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও. দেলোয়ার হোসেন, আরবী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাও. শাহ জাহান, মরহুমের বড় মেয়ের জামাতা মো. শরিফুল ইসলাম।
মুসল্লিগণের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, শাহরাস্তি পৌরসভার সাবেক মেয়র মোঃ মোস্তফা কামাল, ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওঃ তৈয়বুল ইসলাম পাটওয়ারী, শিক্ষক, ছাত্র , মরহুমের নিকট আত্মীয়স্বজন ও এলাকার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
নামাজের জানাযায় ইমামতি করেন ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা মোঃ কামাল উদ্দিন আব্বাসী।


চাঁদপুরের কচুয়ায় সোমবার (১৬ মে) বিকেলে অজ্ঞাত পরিচয় অর্ধগলিত ও বিবস্ত্র এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল কচুয়া -কালিয়াপাড়া সড়কের উচিৎগাবা এলাকার গাজী বাড়ী সংলগ্ন এক ব্রিজ এর নিচে বস্তায় বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়  প্রায় ৪০ বছর বয়সী এ অজ্ঞাতনামা পুরুষের অর্ধ গলিত লাশ 
এলাকাবাসী যানায়, কয়েক দিন ধরে ব্রিজ এর পাশে থেকে পোঁচা গন্ধ আসছিল। তারপর এলাকাবাসী ব্রীজের নীচে বস্তা দেখতে পেয়ে  কচুয়া থানার পুলিশকে খবর দেয় ।
খবর পেয়ে কচুয়া থানার এসআই মোঃ ওয়াজেদ আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে লাশ উদ্ধার করেন এবং সুরুতাহাল রিপোর্ট তৈরী করে লাশটি কচুয়া থানায় নিয়ে আসে।
ধারণা করা হচ্ছে, আনুমানিক ৬/৭দিন পূর্বে কে বা কাহারা তাকে হত্যা করে ওই ব্রীজের নিচে ফেলে চলে যায়। এ ব্যাপারে কচুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
শাহরাস্তি উপজেলার সূচিপাড়া উত্তর ইউনিয়নের শোরসাক পূর্বপাড়া মাঠে জন্ম নেয়া একটি বট গাছকে ঘিরে ধর্ম ব্যবসা ও প্রতারণার ডাল-পালা গজিয়েছে। কথিত মসজিদ, মাদ্রাসা, অসহায় প্রতিবন্ধী আশ্রম ও এতিমখানা কমপ্লেক্সের নামে সরকারের প্রায় ১৮ শতাংশ জমি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ওই বট গাছকে অলৌকিক আখ্যা দিয়ে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে কুচক্রী মহল।

    জানা যায়, ওই মাঠের ফসলী জমির মাঝখানে একটি বট গাছকে ঘিরে সরকারের ২০ শতাংশ খাস জমি রয়েছে। রোদ-খরা ও বর্ষায় কৃষকগণ একটু প্রশান্তির আশায় ওই গাছের ছায়াতলে বসতো। এলাকাবাসী জানায়, ৬/৭ বছর আগে শোরসাক গ্রামের জুনাব আলীর পুত্র জসিম উদ্দিন বট গাছে অলৌকিক ক্ষমতা রয়েছে মর্মে দাবি করে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা ও গাছকে ঘিরে ওয়াজ মাহফিল শুরু করে। এ স্থানে হাফেজিয়া মাদ্রাসা, জামে মসজিদ, এতিমখানা, দুঃস্থ-অসহায় প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধাশ্রম রয়েছে দাবি করে দেশের বিভিন্ন স্থানের ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, মোটর শ্রমিক এমনকি নিন্মবিত্তের কাছ থেকে মোটা অংকের দান-অনুদান গ্রহণ করে। এছাড়াও রয়েছে ছোট-বড় দান বাক্সের বহর।
    স্থানীয়রা জানায়, কোনমতে মাধ্যমিকের গণ্ডি পার হওয়া স্বল্প শিক্ষিত যুবক তার রসালো-রসনায় প্রথমে বীমা পেশা হতে শুরু করে বিভিন্ন এনজিও ও সমবায় সমিতির মাধ্যমে এলাকা হতে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এক সময়কার আলোচিত জুয়াড়ি জসিম জুয়া খেলায় সর্বস্ব খুইয়ে দিশেহারা হয়ে কখনো চায়ের দোকান আবার কখনো ভাতের দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে দেখা গেছে। সবশেষে পোষাক পাল্টিয়ে দাড়ি-টুপি ধারণ করে বট গাছ হতে বের হওয়া শিকল জড়িয়ে ধরে সাধারণ থেকে বনে যায় ফকির আস্তানার মোতাওয়াল্লি ওরফে শিকল হুজুর। তাছাড়াও জসিম উদ্দিনের অর্থ কেলেঙ্কারীর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তারা।
    সরেজমিনে গতকাল শনিবার সকাল ৯টায় আলোচিত ফকির আস্তানায় গেলে ওই স্থানে দরজা বন্ধ একটি টিনের দোচালা ঘর যা জামে মসজিদ নামে পরিচিত। পাশেই একটি একচালা যা কাগুজে কমপ্লেক্স হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়দের কাছে জানতে চাইলে তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বর্ষার শুরু হতে সপ্তাহে একদিন জুমা’র নামাজ ছাড়া আর কোনো আনুষ্ঠানিকতা হয়না। স্বল্প সময়ের জন্য চালুকৃত মক্তবটি (মসজিদের ভিতর) বন্ধ হয়ে গেছে ৩/৪ মাস আগে।
    বিভিন্ন দান-অনুদানের এতো টাকা পয়সা কোথায় যায়, জানতে চাইলে আস্তানার পরিচালনা কমিটির সদস্য পরিচয়দানকারী মোঃ আবু হানিফ জানায়, মসজিদ তৈরিতে ৫৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা খরচ করা হয়েছে। মাদ্রাসা ঘর নির্মাণে খরচ হয়েছে ৩১ হাজার টাকা। এছাড়া ৬০ হাজার টাকা আস্তানার নামে করা ব্যাংক এ্যাকাউন্টে জমা রয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, জসিম উদ্দিন বিভিন্ন জায়গা থেকে উত্তোলিত টাকাগুলো রাতের পর রাত জুয়া খেলে নষ্ট করেছে। যে কারণে তার ধার দেনা পরিশোধের লক্ষ্যে পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা চলছে।
    আস্তানার খাদেম হাফেজ মোঃ রেহান উদ্দিন জানান, এখানে কোনো পরিচালনা কমিটি নেই। জসিম উদ্দিন একাই এই কমিটির সভাপতি, সেক্রেটারী, ক্যাশিয়ারসহ সকল পদধারী। মাহফিলের সময় বিভিন্ন ধরণের লোকদের আনা-গোনা ও বিভিন্ন টাইপের লোকদের দিয়ে মাহফিল চালানো হয়। মাদ্রাসা ঘর নির্মাণে আমি নিজে ৩১ হাজার টাকা ধার করেছি যা আজো পরিশোধ করা হয়নি। আস্তানার নামে ব্যাংকে কোনো টাকা গচ্ছিত নেই। মাহফিলের নামে ৪/৫ ধরনের লিফলেট তৈরি করে ভিন্ন ভিন্ন লোকদের প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি সাজিয়ে অর্থ সংগ্রহ করে থাকেন। বট গাছের অলৌকিক শিকল প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি আরো জানান, এক সময় বট গাছের সাথে মুরুব্বিরা শিকল দিয়ে হারিকেন বেঁধে রাখতো, কালক্রমে গাছের বেড় বৃদ্ধি পেয়ে ওই শিকলটি গাছের ভিতর আটকে গেছে।
    এ ব্যাপারে জসিম উদ্দিন ওরফে শিকল হুজুরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।
    এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে উল্লেখিত স্থানে কোনো এতিমখানা, অসহায় প্রতিবন্ধী আশ্রম ও বৃদ্ধাশ্রম নেই বলে জানা যায়।


শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউপি’র হোসেনপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৪ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি গত ৯ মে সকাল ৯ টায় ঐ গ্রামের মুন্সিগাজী তালুকদার বাড়িতে ঘটে। আহতরা হল সুমন (২৮) আনোয়ার হোসেন (৩৫) মোঃ আলী আব্বাস(৪০) ও জয়নব বেগম (৫৫)। আহতদের শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার বিবরণে আহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায় ,প্রতিপক্ষ ইউনুছ গংয়ের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। ঘটনার সময় সুমনের সাথে কথা কাটা-কাটির এক পর্যায়ে মৃত সোলাইমানের স্ত্রী সাফিয়া বেগম (৩৫) বালতি ভর্তি গরম পানি সুমনের শরীরে ঢেলে দেয় ও তার পকেটে রক্ষিত ২৫ হাজার টাকা নিয়ে যায় । এতে তার শরীরের বাম অংশ ঝলশে যায় । তার আর্ত চিৎকারে আনোয়ার, আলী আব্বাস ও জয়নব বেগম ছুটে আসলে ইউনুছ পিতা মৃত শামছুল হক , মজিবুর রহমান (৪০),মোঃ আকতার হোসন (২৬) পিতাঃ মৃত সিদ্দিকুর রহমান, আব্দুর রব (৬০) পিতা  মৃতঃ নেয়াজ উদ্দিন , শামছুনন্নাহার পিতাঃ মৃত আব্দুল ওহাব একযোগে তাদের উপর হামলা করে। এসময় আনোয়ার হোসেনের মাথা ফেঠে যায় , ছুরি দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয় আলী আব্বাসকে, জয়নব বেগমকে মারধর ও তার পরিধেয় কাপড় ছিড়েঁ ফেলা হয়। এ ঘটনায় শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়। যার নং-০৬ তারিখ ১০/০৫/১৬ ।